
দিদারুল হৃদয়, গুইমারা প্রতিনিধি।।
খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ৩০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১টায় গুইমারা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি মিসকাতুল তামান্না। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ।
কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তার লক্ষ্যে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের এ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩০০ জন কৃষককে উন্নতমানের সাত ধরনের গ্রীষ্মকালীন উফশী ও হাইব্রিড জাতের শাকসবজির বীজ দেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রত্যেক কৃষককে ১৫ কেজি ডিএপি এবং ১৫ কেজি এমওপি (পটাশ) সার বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ইউএনও মিসকাতুল তামান্না কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার, সুষম সার প্রয়োগ এবং নিরাপদ সবজি উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, কৃষি উৎপাদনে কোনো ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হলে দ্রুত মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা পাওয়া যাবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম সোহাগ, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি সাহিদুল ইসলাম, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান, বেলায়েত ভূইয়া, সোলেমান, তুহিন চাকমা ও উক্যাচিং মার্মাসহ স্থানীয় সাংবাদিক, উপকারভোগী কৃষক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, সরকারি এ কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি, আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন এবং স্থানীয় বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। সঠিক পরিচর্যা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা এ সহায়তার সর্বোচ্চ সুফল পাবেন।