
কাপ্তাই প্রতিনিধি।।
“আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় ‘৩টি পার্বত্য জেলায় সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় স্থানীয় খামারিদের মাঝে মুরগি পালনের উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের উদ্যোগে কার্যালয় প্রাঙ্গণে লাইভস্টক ফার্মার্স গ্রুপ (এলএফজি)-এর ২৫ জন খামারির মাঝে এসব উপকরণ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। প্রথম পর্যায়ে খামারিদের মুরগির খোয়াড় (খাঁচা), খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রতিজন খামারিকে ৩০টি করে মুরগি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়। প্রকল্পের আওতায় সংশ্লিষ্ট খামারিদের সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মো. এনামুল হক হাজারির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের ডেপুটি প্রজেক্ট ডিরেক্টর (ডিপিডি) ডা. মো. শরিফুল ইসলাম, কাপ্তাই ভেটেরিনারি সার্জন ডা. রবিউল ইসলাম এবং উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অমল বড়ুয়া।
বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা ও পুষ্টি চাহিদা পূরণে এ ধরনের প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকার প্রান্তিক খামারিদের আত্মনির্ভরশীল করতে নিরলসভাবে কাজ করছে। বিতরণকৃত উপকরণ সঠিকভাবে ব্যবহার করে এলএফজি সদস্যরা নিজেদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে পারবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মো. এনামুল হক হাজারি প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। তিনি খামারিদের যেকোনো সমস্যায় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পক্ষ থেকে সার্বিক কারিগরি ও চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং প্রাণিসম্পদ দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।