মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে তৃতীয় ধাপে ২০ রোগীর সফল ছানি অপারেশন, নিরাপদে বাড়ি ফিরলেন সবাই বিলাইছড়িতে বন্যাদুর্গত ১০৪ পরিবারকে বৌদ্ধ ভিক্ষু সংঘের নগদ সহায়তা কক্সবাজারে ‘জুলাই রেভ্যুলুশনারি এ্যালায়েন্স’-এর জেলা কমিটি ঘোষণা মাটিরাঙ্গায় ১০ লাখ টাকার ভারতীয় জুসের চালান জব্দ করল সেনাবাহিনী আলীকদম সদর ইউপির প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব পেলেন কৃষি কর্মকর্তা সোহেল রানা সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবি: নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার গুজব-অপপ্রচার ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়কের রাজস্থলীতে হেডম্যান-কারবারি ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় পাহাড়ি ঢলে নিহত দুই পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন, দেওয়া হলো ৫০ হাজার টাকা সহায়তা লংগদুতে ৯ হাজার গাছের চারা বিতরণ, সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি রাঙ্গুনিয়ায় ৭ বছরের নাতনিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে নানা গ্রেপ্তার ঈদগাঁওয়ে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে খাগড়াছড়ি থানার নতুন ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন কাপ্তাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ও পণ্যের নমুনা সংগ্রহ বিলাইছড়ির ফারুয়ায় বন্যাদুর্গত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ঈদগাঁও উপজেলায় চলছে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম

খাগড়াছড়ির পাহাড়ে মুকুলে ভরা আমবাগান, আশাবাদী কৃষকরা

মো. আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা প্রতিনিধি।।

বসন্তের আগেই পাহাড়ি জনপদ রঙিন হয়ে উঠেছে। সবুজ পাহাড়ের ঢালে ঢালে আমবাগানে থোকা থোকা মুকুল ঝুলে রয়েছে। হালকা বাতাসে দুলতে থাকা সোনালি মুকুলের সুবাসে মোহিত হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

মাটিরাঙ্গার তাইন্দং, তবলছড়ি, বড়নাল, গোমতী, আমতলী ও মাটিরাঙ্গা পৌর এলাকার আমবাগানগুলোতে মুকুল এসেছে কৃষকদের স্বপ্নের সঙ্গে। উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে আমের ফলন গত বছরের তুলনায় বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষি কর্মকর্তারা পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে আগাম কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দিতে সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।

স্থানীয় আমচাষিরা জানিয়েছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাছে গাছে মুকুল এসেছে। দিনের তাপমাত্রা ও রাতের আবহাওয়া মুকুলের জন্য উপযোগী থাকায় ঝরে পড়ার হারও কম। ফলে চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

তাইন্দং এলাকার আমচাষি আবু বকর বলেন, “বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মুকুল অনেক বেশি এসেছে। বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ফলন ভালো হবে ইনশাআল্লাহ।”

মাটিরাঙ্গার আমবাগান মালিক মোহাম্মদ আলী বলেন, “আম চাষই পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস। এবার মুকুলের পরিমাণ দেখে আশাবাদী। ফলন ভালো হলে সংসারের নিত্যপ্রয়োজন মেটানো, ঋণ পরিশোধ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা সহজ হবে।”

বেলছড়ি এলাকার আমচাষি মো. আব্দুল জলিল জানান, “আগের বছর ঝড় ও পোকার আক্রমণে ক্ষতি হয়েছিল। এবারের অনুকূল আবহাওয়া নতুন আশা জাগিয়েছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শ পেলে রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ থেকে বাগান রক্ষা করা সম্ভব।”

মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. সেলিম রানা বলেন, “এবার পাহাড়ি এলাকায় মুকুল আসা সন্তোষজনক। নিয়মিত পরিচর্যা ও প্রয়োজন অনুযায়ী ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক ব্যবহার করলে ফলন ও গুণমান উভয়ই ভালো হবে। উন্নত চারা, আধুনিক চাষাবাদ ও বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করা গেলে এখানকার আম দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *