শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার বিকল্প নেই — পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু চায়ের দোকান থেকে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে আব্দুল জলিল, পাশে উপায় ফাউন্ডেশন মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠোরতর হতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু দীঘিনালায় ১ম স্কাউট লিডার কোর্সের মহা তাঁবু জলসা অনুষ্ঠিত। লামায় সড়কের বেহাল দশা,খানাখন্দে দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ বাঙ্গালহালিয়া সরকারি কলেজে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কার বিতরণ খাগড়াছড়ির পানছড়িতে সেনাবাহিনীর স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণে সনদ পেলেন ৩৮ প্রশিক্ষণার্থী বাঘাইছড়িতে ২৭ বিজিবির অভিযান: বিপুল পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠ উদ্ধার “সম্প্রীতির বান্দরবান ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৬” এর শুভ উদ্বোধন অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব, রামগড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা দুর্গম পাহাড়ে চিকিৎসার আলো, ৩ শতাধিক মানুষের পাশে মহালছড়ি জোন কাপ্তাইয়ে ১৬ প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত পানছড়িতে স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী, সনদ পেলেন ৩৮ জন পার্বত্য অঞ্চলের কোনো শিক্ষার্থীই যেন অর্থনৈতিক সংকটে ঝরে না পড়ে: খাগড়াছড়িতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল পরিচ্ছন্ন ও পর্যটনবান্ধব বান্দরবান গড়াই আমাদের লক্ষ্য’: পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু

চায়ের দোকান থেকে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে আব্দুল জলিল, পাশে উপায় ফাউন্ডেশন

Reporter Name

মোঃ হাচান আল মামুন, দীঘিনালা প্রতিনিধি

ছোট্ট একটি দোকান। অথচ সেই দোকানের আয়েই চলে ছয় সদস্যের সংসার। স্ত্রী ও চার সন্তানকে নিয়ে আব্দুল জলিলের পরিবার। সন্তানদের মধ্যে দুজন পড়াশোনা করে। কিন্তু দোকানে পর্যাপ্ত মালামাল না থাকায় এতদিন চা বিক্রি করেই কোনোমতে সংসারের খরচ চালাতে হচ্ছিল তাকে। পুঁজি না থাকায় ব্যবসা বড় করার স্বপ্নও ছিল অনেকটা অধরা।

এমন পরিস্থিতিতে আব্দুল জলিলের পাশে দাঁড়িয়েছে উপায় ফাউন্ডেশন। স্বাবলম্বী প্রকল্পের আওতায় তাঁর দোকানে ১৩ ধরনের প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী সরবরাহ করে দোকানটি নতুন করে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে চায়ের পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্য বিক্রির সুযোগ তৈরি হয়েছে তাঁর।

আব্দুল জলিল খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার আশ্রম গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে অল্প পুঁজি নিয়ে দোকান পরিচালনা করে আসছিলেন তিনি। দোকানে পণ্য না থাকায় ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী মালামাল দিতে পারতেন না। ফলে সীমিত আয়েই সংসার চালাতে হতো।

উপায় ফাউন্ডেশনের স্বাবলম্বী প্রকল্পের মাধ্যমে এবার তাঁর সেই সীমাবদ্ধতা কিছুটা দূর হয়েছে। কানাডার ‘সিস্টার্স হালাখা গ্রুপ’ উপায় ফাউন্ডেশনের কন্ট্রিবিউটর হিসেবে এ প্রকল্পে ৬ হাজার ২৫০ টাকা সহায়তা দিয়েছে। ওই অর্থ দিয়ে আব্দুল জলিলের দোকানে ১৩ ধরনের পণ্যসামগ্রী দেওয়া হয়।

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়। উপায় ফাউন্ডেশনের খাগড়াছড়ি প্রকল্প টিমের পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেন মাওলানা মো. শাহজালাল (ডিএম: জি)।

উপায় ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, “অসহায় মানুষকে শুধু এককালীন সহায়তা নয়, বরং আয় করার সুযোগ তৈরি করে দিয়ে স্বাবলম্বী করে তোলাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আব্দুল জলিলের মতো পরিবারগুলো যেন নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে, সে লক্ষ্যেই উপায় ফাউন্ডেশনের স্বাবলম্বী প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে।”

দোকানে নতুন পণ্যসামগ্রী পাওয়ার পর আব্দুল জলিলের পরিবারে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন চায়ের পাশাপাশি বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে আয় বাড়াতে পারবেন তিনি। এতে পরিবারের দৈনন্দিন খরচের পাশাপাশি সন্তানদের পড়াশোনার ব্যয় মেটাতেও কিছুটা স্বস্তি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের মতে, দারিদ্র্য দূরীকরণে শুধু ত্রাণ বা অনুদান নয়, মানুষের হাতে আয়ের একটি স্থায়ী মাধ্যম তুলে দেওয়া বেশি কার্যকর। আব্দুল জলিলের দোকানে পণ্যসামগ্রী দিয়ে উপায় ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগ সেই লক্ষ্যেই একটি বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *