বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজস্থলীতে এমপির প্রতিনিধি মনোনীত হলেন চথোয়াইপ্রু এবং জিকু কুমার  লংগদুতে শাহ আলমের বিরুদ্ধে জমি দখল ও জালিয়াতির অভিযোগ মাটিরাঙ্গায় দুই ফার্মেসিকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা থানচিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিল উপজেলা প্রশাসন পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্তদের খাবার দিল খাগড়াছড়ি সদর জোন বলীপাড়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ৩৮ বিজিবির সদস্যরা থানচিতে আগুনে ১৩ দোকান পুড়ে ছাই ব্যাঙছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপকরণ বিতরণ মাটিরাঙ্গায় বেহাল সড়ক মেরামতে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগ বিলাইছড়িতে এমপির প্রতিনিধি জাফর আহাম্মদ ও ধনমনি চাকমা তামাক চাষ বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান লক্ষীছড়ির দুল্যাতলীতে প্রান্তিক কৃষকদের কৃষি প্রশিক্ষণ পুষ্টিকর খাবারের রান্না প্রদর্শনী ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত মাইসছড়ি চৌধুরী পাড়ায় বাঘাইছড়িতে জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা হাজী নুরুল আলম একাদশের লংগদু জোন সদরে গণ্যমান্যদের সঙ্গে সমন্বয় সভা লামায় ৫ ইটভাটা মালিককে আসামী করে থানায় মামলা

দীপেন দেওয়ান প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই পার্বত্য মন্ত্রীর দায়িত্বে

অনলাইন ডেস্ক।।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে বিএনপি গতকাল নতুন সরকার গঠন করেছে। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান মন্ত্রিসভা ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন। প্রথমবার সংসদ সদস্য হওয়া দীপেন দেওয়ান পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে পেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।

৬৩ বছর বয়সী দীপেন দেওয়ান এবারের নির্বাচনে পার্বত্য রাঙ্গামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে তিনি সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে তার ভোটের ব্যবধান ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার ৩২২টি।

দীপেন দেওয়ান ১৯৬৩ সালে রাঙ্গামাটি পৌরসভার কলেজগেট এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা সুবিমল দেওয়ান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর উপজাতিবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন। দীপেন দেওয়ান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দিয়ে যুগ্ম জেলা জজ পর্যন্ত পদোন্নতি পান। ২০০৫ সালে তিনি রাজনৈতিক জীবনে প্রবেশ করে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হন। ২০১০ সালে রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি এবং ২০১৬ সাল থেকে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহধর্মবিষয়ক সহসম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

পাহাড়ি অঞ্চলের শান্তি ও সমন্বয় দীপেন দেওয়ানের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বরের পার্বত্য চুক্তির পর দীর্ঘ দুই দশকের সহিংসতার পর আপাতশান্তি এসেছে পাহাড়ে। তবে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের দুই সহিংসতায় অন্তত ছয়জনের প্রাণহানি ঘটে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পার্বত্য চুক্তির বাস্তবায়ন ও পুনর্মূল্যায়নের কাজ করবে। বিএনপি নির্বাচনী ইশতেহারে পার্বত্য চুক্তির পুনর্মূল্যায়নের কথা উল্লেখ করেছে, তবে তার ধরন ও জেএসএসের গ্রহণযোগ্যতা এখনো স্পষ্ট নয়।

নির্বাচনী হলফনামায় দীপেন দেওয়ান তাঁর বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা, অস্থাবর সম্পদ ১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা এবং স্থাবর সম্পদের অর্জনমূল্য ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেখিয়েছেন।

দীপেন দেওয়ানের ইতিহাস ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট দেখায়, পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন ও পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করার দায়িত্ব তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল চ্যালেঞ্জ হিসেবে থাকছে।

সূত্র: প্রথম আলো


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *