বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বান্দরবানবান সদর জোনের সেনা দলের উদ্যোগে বন্যাকবলিত ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও উদ্ধার অভিযান বান্দরবানে পর্যটনকেন্দ্র বন্ধের মেয়াদ বাড়ল চেঙ্গী নদীতে রাতের অভিযানে দুই লাখ টাকার নিষিদ্ধ রিং জাল জব্দ দুঃখী মানুষের পাশে সবসময় আছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান- – পার্বত্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল লংগদু সড়ক দুর্ঘটনায় আহত পরিবারের খোঁজ নিতে চমেক হাসপাতালে রাঙামাটির সাংসদ দীপেন দেওয়ানের প্রতিনিধি দল পার্বত্যাঞ্চলের বন্যা-জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের লামায় এক রাতে তিন বসতঘরে ডাকাতি, নগদ টাকা ও মালামাল লুট মাটিরাঙ্গায় ভারী বর্ষণে নদীগর্ভে বিলীন দুটি বসতঘর, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে প্রশাসন ও বিএনপি বিলাইছড়িতে টানা বর্ষণে ফারুয়াসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা বান্দরবানে পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ৭ বসতঘর, টানা বৃষ্টি অব্যাহত মাটিরাঙ্গায় উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে বন্যা দুর্গতদের পাশে জেলা প্রশাসন, আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ ও নগদ সহায়তা টানা বর্ষণে খাগড়াছড়িতে জনজীবন বিপর্যস্ত, পাহাড় ধসে সর্বোচ্চ সতর্কতা টানা বর্ষণে পাহাড়ধসের আশঙ্কা, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ সাজেক ভ্যালী খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় করলিয়া প্রকল্পের উদ্যোগে বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ ভারী বর্ষণে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ১০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ

বান্দরবানে বন্যা দুর্গতদের পাশে জেলা প্রশাসন, আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ ও নগদ সহায়তা

Reporter Name

বশির আহমেদ, বান্দরবান প্রতিনিধি।।
টানা চার দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বান্দরবান জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এবং অনেকে আশ্রয় নিয়েছেন বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে।

গত দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে বান্দরবান শহরের আর্মিপাড়া, হাফেজঘোনা, শেরেবাংলা নগর, কাশেমপাড়া, সাংগু নদীতীরবর্তী উজানীপাড়া ও মধ্যমপাড়া, এবং বালাঘাটা আম্রকানন এলাকার বিস্তীর্ণ অংশ ৫ থেকে ১০ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য শহরের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

মঙ্গলবার গভীর রাতে জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌসের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের একটি ত্রাণদল বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করে। এ সময় বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার, রান্না করা খাবার, সুপেয় পানি এবং নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম হাসান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা সুলতানা খান হীরামনি এবং জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জেলা প্রশাসনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *