মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়ি পৌরসভার ১৩৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা, নতুন কর নেই খাগড়াছড়িতে ১৭৬ বন্যাকবলিত পরিবার পেল নগদ সহায়তা ও স্বাস্থ্যবিধি সামগ্রী সাজেকে নিহত শিক্ষিকার পরিবারকে পাশে থাকার আশ্বাস বিজিবির বান্দরবানে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা শুরু, দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণে গুরুত্বারোপ পানছড়িতে বন্যাদুর্গত ১৫০ পরিবার পেল ত্রাণ সহায়তা খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা ভাষা শিক্ষা ক্লাবের উদ্বোধন রাঙ্গুনিয়ায় অসহায় ও অসুস্থ রোগীদের আর্থিক সহায়তা দিল প্রবাসী কর্ণফুলী ক্রীড়া পরিষদ আগাম প্রস্তুতিতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমেছে, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠনের ঘোষণা পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর ছয় মাসে বদলে গেল মহাপুরম উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের চিত্র বান্দরবানে শতাধিক বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ উখিয়ায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর স্বাস্থ্যসচেতনতা কর্মসূচি, ৪৭৭ জনের চিকিৎসাসেবা বিলাইছড়ির ফারুয়ায় বন্যাদুর্গত আরও ৬০০ পরিবারকে ত্রাণ দেবে আশিকা পানছড়ি বাজারে নিষিদ্ধ পিরানহা বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা টানা বর্ষণে ঘর হারানো বৃদ্ধকে নতুন ঘর দিল মাটিরাঙ্গা জোন দীঘিনালায় ২৬ হাজার গাছের চারা বিতরণ সেনাবাহিনীর

বান্দরবানে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা শুরু, দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণে গুরুত্বারোপ

Reporter Name

বশির আহমেদ, বান্দরবান প্রতিনিধি।।
‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ শুরু হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসন ও জেলা বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে মেলার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। এবারের মেলায় সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের ৫১টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী বলেন, শুধু গাছের চারা রোপণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; রোপণের পর নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ এবং বিদ্যমান বন সংরক্ষণ করা গেলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বনাঞ্চলে একসময় চাঁপাফুল, গর্জন ও চাপালিশের মতো অর্থনৈতিকভাবে মূল্যবান দেশীয় প্রজাতির গাছের আধিক্য ছিল, যা বর্তমানে অনেকটাই কমে গেছে। দীর্ঘমেয়াদে পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক সুফল নিশ্চিত করতে দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় নতুন বনাঞ্চল সৃষ্টির সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বিদ্যমান বন সংরক্ষণের ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রকৃতি ও মানুষ একে অপরের পরিপূরক। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় যার যতটুকু জায়গা রয়েছে, সেখানে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ আবু নঈম মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (পাল্পউড প্লান্টেশন বিভাগ) আবু ইউসুফ, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তৌফিকুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ ও কৃষি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *