শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়ার নির্দেশে মাইসছড়িতে পানিবন্দি ১৫০ পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দিল মহালছড়ি বিএনপি উপজেলা প্রশাসন ও মহালছড়ি জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পাকিজাছড়িতে বন্যার্ত দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ থানচিতে বন্যা দুর্গতদের পাশে উপজেলা প্রশাসন পানছড়িতে পাহাড়ি ঢলে ছড়ার গর্ভে বিলীন পানছড়ির নালকাটা-শুকনাছড়ি সড়ক রাঙ্গুনিয়ায় রাজানগরে বিশাল অজগর উদ্ধার: ঠান্ডাছড়ির গহীন অরণ্যে অবমুক্ত রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়াতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রবল বর্ষণে ঘরের দেয়াল ধস , গুরুতর আহত বৃদ্ধার জীবন বাঁচাতে দ্রুত এগিয়ে এলো মহালছড়ি জোনের সেনাবাহিনী তিন পার্বত্য জেলায় দুর্যোগ মোকাবিলায় পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুম চালু বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করেছে জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর ফেনী নদী ও বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে রামগড় ইউএনও লামায় ভারী বর্ষণে চাম্বি কলেজের বাউন্ডারি ওয়াল ধস, ঝুঁকিতে চারতলা ভবন রাজস্থলীতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি, বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিচ্ছে প্রশাসন বন্যা দুর্গত মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা প্রদান করছে বিজিবির রাতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী লামায় পাহাড়ধসে একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৫ রাঙামাটিতে দুর্গত মানুষের পাশে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল, তিন পার্বত্য জেলায় ১,৩০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ

রাজস্থলীতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি, বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিচ্ছে প্রশাসন

Reporter Name

হাবীবুল্লাহ মিসবাহ, রাজস্থলী প্রতিনিধি।।
টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে তৎপরতা শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

গত পাঁচ দিনের অব্যাহত বৃষ্টিতে উপজেলার ঘিলাছড়ি ও গাইন্দ্যা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝুঁকির মধ্যে থাকা অনেক পরিবার এখনও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় বুধবার সন্ধ্যায় রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ হাসান উপজেলার বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং অতিবর্ষণ ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়াতে মাইকিং ও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা প্রদীপ ত্রিপুরা, উপসহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের সহকারী মো. গোফরান এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা। প্রশাসনের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের একটি দলও সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠে প্রস্তুত রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ হাসান বলেন, টানা ভারী বর্ষণে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে মোট নয়টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৪০ জন বাসিন্দা এসব আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থানরত অন্যদেরও দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *