বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় দীঘিনালায় বিজিবির কঠোর নজরদারি, মোতায়েন ৩ প্লাটুন খাগড়াছড়িতে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে কর্মশালা দুর্গম ধূপপানি পাড়ায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে ‘ধূপপানি শিশুকানন সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে বিজিবি, খাগড়াছড়ি সেক্টরে মোতায়েন ৬ প্লাটুন মধ্যরাতে রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জারের অভিযানে সেগুন কাঠবোঝাই গাড়ি আটক দুর্গোৎসব উপলক্ষে ৬ দিনের জন্য স্থগিত সাজেক সড়ক অবরোধ গুইমারায় প্রেসক্লাবের সঙ্গে উপজেলা বিএনপির মতবিনিময়, সাংবাদিকদের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস অবশেষে লামায় হতে নিখোঁজ চার দিন পর চট্টগ্রাম থেকে উদ্ধার তিন শিক্ষার্থী নাইক্ষ্যংছড়িতে লেবুর বস্তায় ইয়াবা ৯৯ হাজার ৬৪০ পিস; যার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা লামায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চালু হলো ইকোকার্ডিওগ্রাফি সেবা, হৃদ্‌রোগ নির্ণয়ে বাড়তি সুবিধা খাগড়াছড়ির ৬৮ পূজামণ্ডপে ২২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা অনুদান খাগড়াছড়িতে বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত লক্ষীছড়িতে ১৫ প্রান্তিক খামারিকে প্রাণিসম্পদ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিল সেনাবাহিনী মহালছড়িতে তৃণমূল উন্নয়ন সংস্থা এম্পাওয়ারমেন্ট প্রকল্পের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালিত দ্বিতীয় দফায় সাজেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ, ভোগান্তিতে ৩০ হাজার মানুষ পানছড়িতে ছয় পূজামণ্ডপে ৩ বিজিবির আর্থিক অনুদান

দুর্গম ধূপপানি পাড়ায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে ‘ধূপপানি শিশুকানন

Reporter Name

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের অত্যন্ত দুর্গম ধূপপানি পাড়ার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার সুযোগ করে দিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘ধূপপানি শিশুকানন’ নামে একটি বিদ্যালয়।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর উদ্যোগে এবং বিলাইছড়ি উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বিদ্যালয়টির কার্যক্রম বাস্তবায়নে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভি দাশের তত্ত্বাবধানও গুরুত্বপূর্ণ।

ধূপপানি পাড়াটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এখানকার শিশুরা দীর্ঘদিন ধরে আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছিল। পাড়া থেকে নিকটবর্তী বিদ্যালয়ে যেতে শিশুদের প্রায় এক ঘণ্টা পায়ে হেঁটে দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করতে হয়। ফলে ছোট শিশুদের পক্ষে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। দুর্গম পথের ঝুঁকির কারণে অনেক অভিভাবকও তাঁদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে চান না। এমন পরিস্থিতিতে ধূপপানি পাড়ার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আওতায় আনতে ‘ধূপপানি শিশুকানন’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ১১ জন শিশু শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর উদ্যোগ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভি দাশের তত্ত্বাবধানে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বিদ্যালয়টি দুর্গম এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিক্ষার আলো থেকে পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্য ‘ধূপপানি শিশুকানন’ একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। বিদ্যালয়টির পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে দুর্গম ধূপপানি পাড়ার শিশুরা ছোটবেলা থেকেই আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ পাবে এবং তাদের ভবিষ্যৎ গড়ার পথ আরও সুগম হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *