সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাইভেট পড়তে গিয়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মেয়ে নিখোঁজ; থানায় জিডি রাজস্থলীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জলবায়ু ঘোষণা উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অপরাধ দমন, অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ৩২ বিজিবি খাগড়াছড়ি ব্যাটালিয়নের সীমান্তে অপারেশনাল বেস স্থাপন নওমুসলিম ছেলে-মেয়েদের অপহরণ করে ঋষি আশ্রমে নির্যাতন করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে রাঙামাটিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন খাগড়াছড়িতে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের মিলনমেলা, তরুণদের সৃজনশীল ভাবনায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন গুম-অপহরণের ‘নাটক’ ও অপপ্রচারের অভিযোগে কাচালং সরকারি কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন

খাগড়াছড়িতে দরিদ্র পরিবারদের জন্য হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু বিতরণ

খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন সহায়তার আওতায় খাগড়াছড়িতে অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের আত্মকর্মসংস্থান ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশু বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভাইবোনছড়া ইউনিয়নের কুমারধন রোয়াজা পাড়ায় আয়োজিত বিতরণ কার্যক্রমে দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি সদর ও মাটিরাঙ্গা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের শতাধিক দরিদ্র পরিবারকে হাঁস, মুরগি, গরু ও ছাগল প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ধনেশ্বর ত্রিপুরা। তিনি জানান, পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দে জেলা পরিষদের মাধ্যমে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “প্রত্যন্ত এলাকার অসহায় ও দুঃস্থ নারী ও পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের জন্য এই সহায়তা কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। গরু, ছাগল, হাঁস ও মুরগি লালন-পালন করে তারা স্বাবলম্বী হতে পারবে।”

উপকারভোগীরা জানান, এই সহায়তা তাদের দৈনন্দিন জীবনে সহায়তা ছাড়াও ভবিষ্যতের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। অনিকা ত্রিপুরা বলেন, “আমি গরীব মানুষ। দিনে আনি, দিনে খাই। আজ জেলা পরিষদ থেকে গবাদিপশু পেয়েছি। এটি লালন-পালন করে সামনে স্বাবলম্বী হতে পারবো।” অন্য এক উপকারভোগী বলেন, “হাঁস-মুরগি পেলে ঘরে বসেই আয় করা সম্ভব হবে, যা আমাদের সন্তানদের পড়াশোনায় সহায়তা করবে।”

খাগড়াছড়ির প্রত্যন্ত পাহাড়ি পাড়াগুলোতে জীবিকার সুযোগ সীমিত। তাই জেলা পরিষদের এই উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের কাছে শুধু সহায়তা নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি আত্মনির্ভরশীলতার পথে একটি বাস্তব সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এ ধরনের প্রকল্প নিয়মিত বাস্তবায়ন হলে পার্বত্য অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক অবস্থায় স্থায়ী পরিবর্তন আসবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *