শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়ার নির্দেশে মাইসছড়িতে পানিবন্দি ১৫০ পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দিল মহালছড়ি বিএনপি উপজেলা প্রশাসন ও মহালছড়ি জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পাকিজাছড়িতে বন্যার্ত দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ থানচিতে বন্যা দুর্গতদের পাশে উপজেলা প্রশাসন পানছড়িতে পাহাড়ি ঢলে ছড়ার গর্ভে বিলীন পানছড়ির নালকাটা-শুকনাছড়ি সড়ক রাঙ্গুনিয়ায় রাজানগরে বিশাল অজগর উদ্ধার: ঠান্ডাছড়ির গহীন অরণ্যে অবমুক্ত রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়াতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রবল বর্ষণে ঘরের দেয়াল ধস , গুরুতর আহত বৃদ্ধার জীবন বাঁচাতে দ্রুত এগিয়ে এলো মহালছড়ি জোনের সেনাবাহিনী তিন পার্বত্য জেলায় দুর্যোগ মোকাবিলায় পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুম চালু বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করেছে জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর ফেনী নদী ও বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে রামগড় ইউএনও লামায় ভারী বর্ষণে চাম্বি কলেজের বাউন্ডারি ওয়াল ধস, ঝুঁকিতে চারতলা ভবন রাজস্থলীতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি, বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিচ্ছে প্রশাসন বন্যা দুর্গত মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা প্রদান করছে বিজিবির রাতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী লামায় পাহাড়ধসে একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৫ রাঙামাটিতে দুর্গত মানুষের পাশে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল, তিন পার্বত্য জেলায় ১,৩০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ

পাহাড়ধসে বান্দরবানের সঙ্গে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ সাময়িক বিচ্ছিন্ন

Reporter Name

বশির আহমেদ, বান্দরবান প্রতিনিধি।।
টানা চার দিনের ভারী বর্ষণে বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের লাল ব্রিজ এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনায় সারা দেশের সঙ্গে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে পাহাড়ের মাটি ও গাছ সড়কের ওপর ধসে পড়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কটি জেলার প্রধান প্রবেশপথ। এই সড়ক দিয়েই ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলার যানবাহন চলাচল করে। পাহাড়ধসের পর সড়কের দুই পাশে শতাধিক দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও ব্যক্তিগত যানবাহন আটকা পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, টানা বৃষ্টিতে সড়কসংলগ্ন পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। এতে বিপুল পরিমাণ মাটি ও উপড়ে পড়া গাছ সড়ক ঢেকে ফেলায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি ও গাছ অপসারণের কাজ শুরু করেন। সড়কটি দ্রুত সচল করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এবং জেলা প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করছে। তবে ধস সরিয়ে যান চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এদিকে, টানা বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সড়ক ব্যবহারকারী চালক ও যাত্রীদের প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যাতায়াত না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *