শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়িতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ইউসিবি ব্যাংকের ত্রাণ বিতরণ পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: রানা চেয়ারম্যান, সোলায়মান মহাসচিব রাণীরহাট-কাউখালী সড়কে বেইলি সেতু ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ লংগদুতে সেগুন বাগান কাটার অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক, বিএনপি নেতাকে শোকজ পাহাড়ধসে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে উদ্যোগের দাবি লামায় পাহাড়ি ঢল ও ধসে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ কাপ্তাই লেকের পানি বাড়ায় স্পিলওয়ের ১৬ জলকপাট খুলে ৯ হাজার কিউসেক পানি ছাড় বিচ্ছিন্নভাবে নয়, সমন্বিত উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের সেবা পৌঁছাতে হবে: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বিলাইছড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু দুই বছরেও সংস্কার হয়নি সংযোগ সেতুর, দুর্ভোগে বাঘাইছড়ির হাজারো মানুষ রোয়াংছড়িতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী খাগড়াছড়িতে অবৈধ টিলা কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চকরিয়ায় ১,৫০০ বন্যাদুর্গত পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ, ৭০০ জনের চিকিৎসাসেবা আলীকদমে বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ সহায়তা দিল খুইল্লা মিয়া চেয়ারম্যান ফাউন্ডেশন মহালছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সেনাবাহিনী, নগদ অর্থ, ত্রাণ ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা প্রদান বান্দরবানে বন্যার্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণ, মেডিকেল ক্যাম্প চালু

মহালছড়িতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন, টিকার আওতায় আসবে ৬৬৫০ শিশু

Reporter Name

শফিক ইসলাম, মহালছড়ি প্রতিনিধি
খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় উপজেলার ১নং সদর ইউনিয়নের যৌথ খামার ত্রিপুরা পাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পাড়াকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মহালছড়ি উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন এবং গুইমারা উপজেলার ১টি ইউনিয়নসহ মোট ৫টি ইউনিয়নে এই ক্যাম্পেইন পরিচালিত হচ্ছে। পুরো কার্যক্রমে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অধীনে ১টি স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি ১২০টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

এই ক্যাম্পেইনের আওতায় মোট ৬ হাজার ৬৫০ জন শিশুকে টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কার্যক্রম সফল করতে ২৪০ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং ১৫ জন প্রশিক্ষিত টিকাদানকর্মী মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন।

ক্যাম্পেইনটি সোমবার থেকে শুরু হয়ে আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলমান থাকবে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, প্রথম দুই সপ্তাহ কমিউনিটি পর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এরপর এক সপ্তাহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদান করা হবে। মোট ১১ দিনব্যাপী এই এমআর ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ধনিষ্ঠা চাকমা বলেন, হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এই টিকাদান কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্ধারিত বয়সসীমার সব শিশুদের টিকার আওতায় আনতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। অভিভাবকদের সচেতনতা ও সহযোগিতা এক্ষেত্রে অপরিহার্য।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানেটারি পরিদর্শক মোঃ মনজুল ইসলাম তালুকদার বলেন, “প্রতিটি কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কোনো ধরনের ঝুঁকি এড়াতে আমাদের টিম সতর্ক রয়েছে।”
স্থানীয় পাড়াকর্মী ভূমিকা ত্রিপুরা জানান, আমরা ঘরে ঘরে গিয়ে অভিভাবকদের সচেতন করছি, যাতে কোনো শিশু টিকা থেকে বাদ না পড়ে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে এবং শিশুদের মধ্যে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *