সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিলাইছড়িতে বন্যাকবলিত ফারুয়া ইউনিয়ন পরিদর্শনে ইউএনও, ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল বিতরণ পাহাড়ি ঢলে রাজস্থলীতে পাঁচ গরুর মৃত্যু, প্রান্তিক খামারির প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতি বান্দরবানে বন্যাকবলিত ১৫ হাজার পরিবার পাবে খাদ্য সহায়তা: চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পানছড়ির সড়ক পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক-পুলিশ সুপার কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ সহায়তা রামগড়ে বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ থানচির একাধিক স্থানে ভূমিধস, সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে সেনাবাহিনী মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের মাঝে সেনা জোনের ত্রাণ বিতরণ বিলাইছড়িতে বন্যা দুর্গত ৫০ পরিবারকে সেনা জোনের ত্রাণ সহায়তা বিলাইছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা কাপ্তাইয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পানছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, পরিকল্পিত পরিবার গঠনের আহ্বান পানছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের একাংশ ধসে, পরিদর্শনে ইউএনও ইসলামপুরে বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কমিটির ত্রাণ বিতরণ টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক বান্দরবানে বন্যাদুর্গতদের পাশে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ রেজা

মানবিকতায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: অসহায় শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন আমান উল্লাহ্

আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পানছড়ি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমান উল্লাহ্। ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি মধ্য নগর এলাকার প্রয়াত নূর আলমের পুত্র নূর হোসেন মাহিমের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

জানা গেছে, মধ্য নগর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী নূর হোসেন মাহিম দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটে ভুগছিল। পারিবারিক অভিভাবক হারানোর পর অর্থাভাবের কারণে তার পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নজরে এলে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে এগিয়ে আসেন আমান উল্লাহ্।

তিনি ব্যক্তিগতভাবে মাহিমের শিক্ষাসংক্রান্ত ব্যয় বহনের উদ্যোগ নেন এবং তার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন। ফলে নতুন করে আশার আলো দেখতে শুরু করেছে শিক্ষার্থীটি।

এ বিষয়ে আমান উল্লাহ্ বলেন, “শিক্ষাই একটি শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ার মূল চাবিকাঠি। আর্থিক সংকটের কারণে যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ না হয়—এটাই আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব। সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো উচিত।”

তার এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তারা বলেন, এ ধরনের মানবিক সহায়তা শুধু একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ রক্ষা করে না, বরং সমাজে সহমর্মিতা ও ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে সমাজের বিত্তবান ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মানবিক কাজে এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণা জোগায়।

স্থানীয়দের মতে, আমান উল্লাহ্’র এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে মানবিকতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *