বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে তৃতীয় ধাপে ২০ রোগীর সফল ছানি অপারেশন, নিরাপদে বাড়ি ফিরলেন সবাই বিলাইছড়িতে বন্যাদুর্গত ১০৪ পরিবারকে বৌদ্ধ ভিক্ষু সংঘের নগদ সহায়তা কক্সবাজারে ‘জুলাই রেভ্যুলুশনারি এ্যালায়েন্স’-এর জেলা কমিটি ঘোষণা মাটিরাঙ্গায় ১০ লাখ টাকার ভারতীয় জুসের চালান জব্দ করল সেনাবাহিনী আলীকদম সদর ইউপির প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব পেলেন কৃষি কর্মকর্তা সোহেল রানা সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবি: নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার গুজব-অপপ্রচার ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়কের রাজস্থলীতে হেডম্যান-কারবারি ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় পাহাড়ি ঢলে নিহত দুই পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন, দেওয়া হলো ৫০ হাজার টাকা সহায়তা লংগদুতে ৯ হাজার গাছের চারা বিতরণ, সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি রাঙ্গুনিয়ায় ৭ বছরের নাতনিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে নানা গ্রেপ্তার ঈদগাঁওয়ে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে খাগড়াছড়ি থানার নতুন ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন কাপ্তাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, জরিমানা ও পণ্যের নমুনা সংগ্রহ বিলাইছড়ির ফারুয়ায় বন্যাদুর্গত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ঈদগাঁও উপজেলায় চলছে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম

মানবিকতায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: অসহায় শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন আমান উল্লাহ্

আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:

আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি:
মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পানছড়ি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমান উল্লাহ্। ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি মধ্য নগর এলাকার প্রয়াত নূর আলমের পুত্র নূর হোসেন মাহিমের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

জানা গেছে, মধ্য নগর সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী নূর হোসেন মাহিম দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটে ভুগছিল। পারিবারিক অভিভাবক হারানোর পর অর্থাভাবের কারণে তার পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নজরে এলে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে এগিয়ে আসেন আমান উল্লাহ্।

তিনি ব্যক্তিগতভাবে মাহিমের শিক্ষাসংক্রান্ত ব্যয় বহনের উদ্যোগ নেন এবং তার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করেন। ফলে নতুন করে আশার আলো দেখতে শুরু করেছে শিক্ষার্থীটি।

এ বিষয়ে আমান উল্লাহ্ বলেন, “শিক্ষাই একটি শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ার মূল চাবিকাঠি। আর্থিক সংকটের কারণে যেন কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ না হয়—এটাই আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব। সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো উচিত।”

তার এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তারা বলেন, এ ধরনের মানবিক সহায়তা শুধু একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ রক্ষা করে না, বরং সমাজে সহমর্মিতা ও ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে সমাজের বিত্তবান ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মানবিক কাজে এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণা জোগায়।

স্থানীয়দের মতে, আমান উল্লাহ্’র এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে মানবিকতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *