রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে বাঘাইছড়িতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম (EESS) এর আওতায় , সৌকেসিং প্রোগ্রাম

নাইক্ষ্যংছড়িতে স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ শ্রমিক নিহত

Reporter Name

বশির আহম্মদ, বান্দরবান প্রতিনিধিঃ
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিনজন চাকমা শ্রমিক নিহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্ত পিলার ৪১ ও ৪২-এর মধ্যবর্তী এলাকায়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরের কাছাকাছি এ মর্মান্তিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরণের পরপরই এলাকায় তিনজন আহত হওয়ার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে দুপুর আড়াইটার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
নিহতরা হলেন— লেয়ারা পিতা: সুনইয়ং চাকমা; অংকেমং পিতা: মৃত নিওমং চাকমা এবং চিংকা অং পিতা: অইমং চাকমা। তাদের সবার বাড়ি ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভালুকিয়াপাড়া গ্রামে।
স্থানীয়দের জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মি পুঁতে রাখা শক্তিশালী স্থলমাইনের বিস্ফোরণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, নিহতরা ওই এলাকায় কলাবাগানে কাজ করতে গেলে এ দুর্ঘটনার শিকার হন। তবে অপর একটি সূত্রের দাবি, তারা চোরাই পণ্য ও মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং ওইদিন মাদক আনতে গিয়ে বিস্ফোরণের কবলে পড়েন।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা হওয়ায় মরদেহ উদ্ধার ও নিয়ে আসতে দেরি হচ্ছে। ঘটনাস্থলে বিজিবি সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত রয়েছেন।
ঘটনার পর পুরো সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। সীমান্তসংলগ্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এদিকে, ঘটনার পর বিজিবির একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন, তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে কাজ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *