রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে বাঘাইছড়িতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম (EESS) এর আওতায় , সৌকেসিং প্রোগ্রাম

পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে : পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

Reporter Name

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী।।
নিজস্ব কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ভাষা ও ঐতিহ্য ধারণ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

শনিবার (৯মে ২০২৬) রাতে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অডিটোরিয়াম-এ আয়োজিত বৈসুক, সাংগ্রাই, বিঝু, বিষু, বিহু, চাংক্রান, চাংলান ও পাতা উৎসবের পুনর্মিলনী-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রামে বসবাসরত পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রকৌশলী পরিবার এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন ভাষাভাষী ও জাতিসত্তার মানুষের অংশগ্রহণ দেশের বৈচিত্র‍্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য প্রতিচ্ছবি তুলে ধরেছে। তিনি বলেন, পার্বত্য জনগোষ্ঠীর মানুষ তাদের ইতিহাস, ভাষা ও সংস্কৃতিকে ধারণ ও সংরক্ষণের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করছেন।

চট্টগ্রামে কর্মরত পার্বত্য অঞ্চলের প্রকৌশলীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজেদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে শুধু নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে নিজেদের মেধা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রকৌশলী, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত পার্বত্য জনগোষ্ঠীর মানুষ চট্টগ্রামসহ দেশের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং সরকার তাদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐক্যের বিষয়টিও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্তার পরিচয় ও অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং সব সম্প্রদায়ের উন্নয়নে কাজ করছে। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সবসময় পার্বত্যবাসীর পাশে থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

প্রকৌশলী প্রু মং রাখাইন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. শাহাদাত হোসেন।

অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, প্রকৌশলী, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *