সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘাইছড়িতে পাহাড়ধসে বসতঘর বিধ্বস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বিএনপি বরকলে ইউনিয়ন পরিষদের সেবা নিয়ে ভোগান্তি, অনিয়মের অভিযোগ বিলাইছড়িতে সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও উন্নয়নে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন উদ্যোগ সম্প্রীতির বান্দবান ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন কিংস অব বনরুপা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ কোনো নির্দিষ্ট দল, গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের নয়: ম্রাসা থোয়াই মারমা মাটিরাঙ্গায় কৃষক কার্ড কার্যক্রম শুরু, তথ্য সংগ্রহ ১,৩৯৩ কৃষকের বান্দরবানে সীমান্ত সড়কে গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৩ কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে দারুস সালাম নূরানী মাদ্রাসা বাঘাইছড়ি ১০৯ ঘনফুট সেগুন কাঠ জব্দ বিলাইছড়িতে আশিকার প্রকল্প অবহিতকরণ সভা সীমান্ত সড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত তিন শিক্ষার পাশাপাশি ক্রীড়া, সাংস্কৃতি প্রতিভা অন্বেষণ, বিকাশ ও মানোন্নয়নে খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে কমিটি গঠন অপুষ্টি প্রতিরোধ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের পুষ্টি উন্নয়নে গুরুত্বারোপ; আশিকার অবহিতকরণ সভা দুর্গম পাহাড়ে বিদ্যুতের আলো ছড়াচ্ছে সোলার, বাড়ছে চাহিদা মহালছড়িতে কর্মক্ষমতা ও জীবিকার সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে রিডিং গ্লাস প্রকল্পের উদ্বোধনী সভা

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও উন্নয়নে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন উদ্যোগ

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এসব কার্যক্রমের মধ্যে স্থানীয় তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং অবকাঠামোগত ও সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগ রয়েছে।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, পার্বত্য অঞ্চলের তরুণ ও যুবসমাজকে আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে বিভিন্ন কারিগরি ও পেশাগত প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্থানীয় যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

এ ছাড়া পার্বত্য এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে। স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও উন্নয়নের পরিবেশ বজায় রাখতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ, পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, পার্বত্য অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ভবিষ্যতেও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *