রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়িতে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের মিলনমেলা, তরুণদের সৃজনশীল ভাবনায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন গুম-অপহরণের ‘নাটক’ ও অপপ্রচারের অভিযোগে কাচালং সরকারি কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ইউএনওর বিদায়, সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে পদোন্নতি

Reporter Name

বান্দরবানের সীমান্তবর্তী উপজেলা নাইক্ষ্যংছড়িতে দায়িত্ব পালন শেষে বিদায় নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি পদোন্নতি পেয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে নতুন দায়িত্বে যোগদান করেছেন।

২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় যোগদানের পর থেকে তিনি প্রায় সাত মাস দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্বকালীন সময়ে তিনি প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি উন্নয়নমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দায়িত্ব পালনকালে তিনি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি ও সীমান্তবর্তী এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষা, যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, খাল খনন, জলাবদ্ধতা নিরসন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও ভূমি সেবা খাতে কার্যক্রম তদারকি করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন সংকটময় পরিস্থিতিতে তিনি দ্রুত প্রশাসনিক সহায়তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছেন। একই সঙ্গে নাগরিক সেবা সহজীকরণ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী ভূমিকা রাখেন বলেও তারা উল্লেখ করেন।

গত ৭ মে ছিল তার নাইক্ষ্যংছড়িতে শেষ কর্মদিবস। বিদায় উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের মতে, তার দায়িত্বকালীন সময়টি ছিল প্রশাসনিক কার্যক্রম ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের একটি কার্যকর সময়, যা এলাকাবাসীর মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *