
আবদুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়ি
বান্দরবান জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন নাইক্ষ্যংছড়ি থানার মানবিক ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনবান্ধব পুলিশি সেবা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে বিশেষ অবদান রাখায় তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) সকালে বান্দরবান জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মাসিক পুলিশ কল্যাণ সভা শেষে জেলা পুলিশ সুপার মো. ওহাববু ইসলাম খন্দকারের হাত থেকে তিনি শ্রেষ্ঠ অফিসারের সম্মাননা ও পুরস্কার গ্রহণ করেন। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ওসি মোজাম্মেল হক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান জোরদার এবং সাধারণ মানুষের জন্য সহজ ও মানবিক পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে থানার কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।
শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় ওসি মো. মোজাম্মেল হক বলেন, “বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় আমরা জনগণের পুলিশ হিসেবে সাধারণ মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছি। এই অর্জন শুধু আমার একার নয়, এটি সমগ্র নাইক্ষ্যংছড়িবাসীর। আমাকে শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে মনোনীত করায় আমি জেলা পুলিশ সুপারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”
তিনি আরও বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ও একটি নিরাপদ সমাজ গঠনে পুলিশ সদস্যরা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমিটির পার্বত্য বিষয়ক সম্পাদক এবং বাইশারীর সন্তান আবদুর রশিদ বলেন, “ওসি মোজাম্মেল হক নাইক্ষ্যংছড়ি থানার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এলাকায় মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ তার সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ করতে পারেন এবং নিজেদের সমস্যার কথা খোলামেলাভাবে তুলে ধরতে পারেন। একজন জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে তিনি মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তাকে শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত করায় বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপারকে ধন্যবাদ জানাই।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনসম্পৃক্ত পুলিশি কার্যক্রম, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তৎপরতা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি আন্তরিক আচরণের কারণে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি মো. মোজাম্মেল হক জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় উপজেলাবাসীর মধ্যেও সন্তোষ ও আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।