রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে বাঘাইছড়িতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম (EESS) এর আওতায় , সৌকেসিং প্রোগ্রাম

লংগদুতে গৃহবধূ ও তিন বছরের শিশুসন্তান নিখোঁজ, ১১ দিনেও সন্ধান মেলেনি

Reporter Name
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

মো. গোলামুর রহমান,লংগদু উপজেলা সংবাদদাতা।।
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নের সোনারগাঁও ৩নং ওয়ার্ড থেকে এক গৃহবধূ ও তার তিন বছরের শিশুসন্তান নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। নিখোঁজের প্রায় ১১ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয়রা।

নিখোঁজ গৃহবধূর নাম হাফসা (২২) এবং তার তিন বছর বয়সী সন্তান। এ ঘটনায় দুই দিন পর লংগদু থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার স্বামী আজিজুল।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মে শুক্রবার বিকেলে হাফসা ও তার সন্তান বাসা থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করলেও তাদের সন্ধান মেলেনি।

নিখোঁজের বিষয়ে আজিজুল বলেন, ঘটনার দিন বিকেলে তিনি চৌমুহনী বাজারে ডাক্তার দেখানোর জন্য গিয়েছিলেন। সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যরা তাকে জানান, তার স্ত্রী বাসায় নেই। এরপর তারা আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেন। পরে কোনো সন্ধান না পেয়ে থানায় জিডি করা হয়। তিনি আরও জানান, পারিবারিক বিরোধের কারণে বিষয়টি প্রাথমিকভাবে স্ত্রীর পরিবারকে জানানো হয়নি, তবে পরে থানা পুলিশের মাধ্যমে তারা বিষয়টি জানতে পারে।

এদিকে নিখোঁজ হাফসার বড় ভাই আক্কাস আলী অভিযোগ করে বলেন, তাদের পারিবারিক বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমার জেরে দীর্ঘদিন ধরে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। তার বোনকে নিখোঁজের ঘটনায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত উদঘাটনের দাবি জানান।

অন্যদিকে স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। দ্রুত সময়ের মধ্যে গৃহবধূ ও শিশুসন্তানকে উদ্ধার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

লংগদু থানার অফিসার ইনচার্জ জাকারিয়া বলেন, স্বামীর পক্ষ থেকে জিডি হওয়ার পর থেকেই পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। এখনো পর্যন্ত কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। মা ও শিশুকে উদ্ধারের জন্য পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে নিখোঁজ মা ও শিশুকে উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *