রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়িতে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের মিলনমেলা, তরুণদের সৃজনশীল ভাবনায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন গুম-অপহরণের ‘নাটক’ ও অপপ্রচারের অভিযোগে কাচালং সরকারি কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন

লামায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, বন বিভাগের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা প্রতিনিধি

পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা উপজেলায় বন বিভাগের আওতাধীন বমু সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবৈধ দখল ও স্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বন বিভাগ। এ লক্ষ্যে সোমবার (৫ জানুয়ারি) বমু বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন বনাঞ্চল রক্ষায় ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ ঘোষণা করেন।

নীতির বাস্তব প্রয়োগের অংশ হিসেবে সকালে বমু সংরক্ষিত বনাঞ্চলের চুড়ইবিল এলাকায় সামাজিক বনায়নের আওতাধীন একটি স্থানে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে বনপ্রহরী দল উপস্থিত ছিলেন। কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

উচ্ছেদ অভিযানের সময় স্থানীয় সামাজিক বনায়নের সভাপতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক, উপকারভোগী সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন বলেন, *“সংরক্ষিত বনাঞ্চল রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এই বনভূমি রক্ষা করা আমাদের আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা, দখল কিংবা বন উজাড়ের চেষ্টা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”*

তিনি আরও জানান, বন আইন ১৯২৭ অনুযায়ী সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, দখল ও ভূমির অপব্যবহার শাস্তিযোগ্য অপরাধ। একই সঙ্গে সামাজিক বনায়ন বিধিমালা ২০০৪ (সংশোধিত) অনুযায়ী সামাজিক বনায়নের আওতাধীন জমি নির্ধারিত উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, বনভূমি দখল ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে এ ধরনের উদ্যোগ পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অভিযানের জন্য বন বিভাগের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠন এবং সাংবাদিক সমাজ।

স্থানীয়দের মতে, বন সংরক্ষণ কার্যক্রমকে টেকসই করতে নিয়মিত নজরদারি, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি। বমু সংরক্ষিত বনাঞ্চলে পরিচালিত এই উচ্ছেদ অভিযান সে লক্ষ্যে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে তারা মন্তব্য করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *