রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে বাঘাইছড়িতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম (EESS) এর আওতায় , সৌকেসিং প্রোগ্রাম

লামার ফাঁসিয়াখালীতে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে পাহাড় কাটার অভিযোগ

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা উপজেলা সংবাদদতাতা।
বান্দরবানের লামা উপজেলায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অমান্য করে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কুমারী চাককাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য মুসা কলিমউল্লাহ কিসলুর মালিকানাধীন বাগান এলাকায় এস্কেভেটর (ভেকু) ব্যবহার করে ব্যাপকভাবে পাহাড় কাটা হচ্ছে। সেখানে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ এবং মাছ চাষ প্রকল্পের জন্য বাঁধ তৈরির উদ্দেশ্যে পাহাড় কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

শনিবার (২৩ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, পাহাড় কেটে বিপুল পরিমাণ মাটি অপসারণ করে প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এতে পাহাড়ের প্রাকৃতিক গঠন নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র‍্যরে ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় পাহাড় ধসের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

অভিযুক্ত মুসা কলিমউল্লাহ কিসলু অভিযোগের বিষয়ে বলেন, বাগানে যাতায়াতের সুবিধার জন্য রাস্তা এবং মাছ চাষ প্রকল্পের জন্য বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। ইটভাটায় পাহাড় কাটা হলেও সেখানে কোনো সমস্যা হয় না বলে তিনি দাবি করেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কিনা—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সবার জন্য ছাড়পত্র লাগে না।”

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই বেপরোয়াভাবে পাহাড় কাটা চলছে। এতে পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন। তারা অবিলম্বে পাহাড় কাটা বন্ধ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

পরিবেশবিদরা বলছেন, পাহাড় কাটা পরিবেশ ধ্বংসের পাশাপাশি পাহাড় ধস, ভূমিক্ষয় ও জীববৈচিত্র‍্য বিনাশের অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় অপরিকল্পিত পাহাড় কাটার ফলে বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী, অনুমোদন ছাড়া পাহাড় কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কার্যক্রমে জরিমানা, কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর, বান্দরবান কার্যালয়ের উপপরিচালক নূর হাসান সজিব জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *