
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী একটি নির্দেশ পাঠিয়েছেন, থানচির তিন্দু এলাকার সেই স্কুলকে যেন জাতীয়করণ করা হয়। আজকে সংসদে স্লিপটি পাঠিয়েছেন।”
দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত ও আর্থিক সংকটের মধ্যেও শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ায় বিদ্যালয়টি স্থানীয়ভাবে বিশেষভাবে আলোচিত। বান্দরবান জেলা সদর থেকে প্রায় ৮৮ কিলোমিটার দূরে, দুর্গম তিন্দু ইউনিয়নে অবস্থিত বিদ্যালয়টি ২০২০ সালে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। একই বছর প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন বামং খিয়াং।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই নিম্ন আয়ের পরিবারের সন্তান হওয়ায় নিয়মিত বেতন আদায় সম্ভব হয় না। এ কারণে শিক্ষকদের সম্মানী পরিশোধে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটের মুখে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং বিদ্যালয়ের ব্যয় নির্বাহে অতিরিক্ত আয়ের জন্য ছুটির দিনগুলোতে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চালানোর কাজ করেন। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে এখনো বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক ও অন্যান্য জনবল নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ হলে শিক্ষক নিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় বিদ্যমান সংকট দূর হবে। এর মাধ্যমে দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীরা আরও মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ পাবে।
শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণার পর জাতীয়করণ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রমের দিকে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি রয়েছে।