শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বন্যাদুর্গতদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী প্রদান টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ১১০টি পরিবারের মাঝে জরুরী ত্রাণ সহায়তা বিতরণ দুর্গম পথ মাড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দিলেন ইউএনও ইউছুফ হাসান বাঘাইছড়িতে ২৭ বিজিবি মারিশ্যা জোনের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন রামগড়ে বিজিবির নিরাপত্তা সমন্বয় সভা, সীমান্ত অপরাধ দমনে তথ্য সহায়তার আহ্বান রাঙামাটির কংলাক মৌজায় প্রথম নারী হেডম্যান হিসেবে রৌসায়ী লুসাই নিয়োগ খাগড়াছড়িতে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা শুরু ছয় মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত সাংবাদিক আরাফাত সানি ১৫ বছরেও উন্নয়ন হয়নি পূর্ব লাইল্যাঘোনায়, কাঁচা সড়কে দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ সাংবাদিক আতাহার ইকবালের মৃত্যুতে ঈদগাঁও প্রেস ক্লাবের শোক ঈদগাঁওয়ে ট্রাকের ধাক্কায় শিশুর মৃত্যু বিলাইছড়িতে এলজিইডির সড়কের পাশে ৫০০ গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি, নিরাপত্তা ও ভূমি ব্যবস্থাপনায় বৃদ্ধির আহবান সচেতনতা সভা অনুষ্ঠিত বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের তিন মাস কিস্তি আদায় স্থগিতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে খাগড়াছড়িতে প্রেস ব্রিফিং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০ পরিবারকে বিলাইছড়ি বিএনপির খাদ্য সহায়তা রামগড়ে উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি গঠন, সভাপতি ইউএনও কাজী শামীম

১৫ বছরেও উন্নয়ন হয়নি পূর্ব লাইল্যাঘোনায়, কাঁচা সড়কে দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ

Reporter Name

মোঃ আব্দুজ জাহের, বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি।।
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার বাঘাইছড়ি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব লাইল্যাঘোনা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সড়ক ও অন্যান্য মৌলিক অবকাঠামোর উন্নয়ন না হওয়ায় কয়েক হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। এলাকার প্রায় দুই হাজার বাসিন্দার দৈনন্দিন চলাচলের একমাত্র ভরসা কাদা-মাটির কাঁচা সড়ক, যা বর্ষা মৌসুমে আরও চলাচল-অযোগ্য হয়ে পড়ে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সড়ক সংস্কার ও উন্নয়নের দাবি জানানো হলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো কাজ শুরু হয়নি। ফলে শিক্ষার্থী, রোগী, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী নারীদের চলাচলে প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বন্যার পানি কিছুটা কমলেও এখনও প্রায় ৫০টি পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। প্রায় ৪০০ পরিবারের বসবাসের এই এলাকায় বন্যা বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আশ্রয় নেওয়ার জন্য নেই কোনো স্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র।

৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল খালেক বলেন, *”গত ১৫ বছরে আমাদের এলাকায় উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। কাদা-মাটির রাস্তা দিয়েই চলাফেরা করতে হয়। বর্ষা এলেই দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।”*

স্থানীয়রা জানান, রাঙ্গামাটি-২ আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান এলাকা পরিদর্শন করেছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ও নির্দেশনা দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো উন্নয়নকাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতি বছর প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের (পিআইও) মাধ্যমে কাবিখা ও টিআর প্রকল্পে সরকারি বরাদ্দ এলেও পূর্ব লাইল্যাঘোনা এলাকায় তার কার্যকর বাস্তবায়ন দেখা যায়নি।

তাদের দাবি, দ্রুত কাঁচা সড়ক পাকা করা, জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় একটি স্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হোক। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপও কামনা করেছেন এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *