বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে তৃতীয় ধাপে ২০ রোগীর সফল ছানি অপারেশন, নিরাপদে বাড়ি ফিরলেন সবাই মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবি-চোরাকারবারীদের মধ্যে গোলাগুলি, ৪ পিস্তল ও গুলি উদ্ধার বাঘাইছড়িতে টিলার জমি নিয়ে পাহাড়ি-বাঙালি সংঘর্ষ, আহত ২ ২০ বছর পলাতক থাকার পর হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার বিলাইছড়িতে বন্যাদুর্গত ১০৪ পরিবারকে বৌদ্ধ ভিক্ষু সংঘের নগদ সহায়তা কক্সবাজারে ‘জুলাই রেভ্যুলুশনারি এ্যালায়েন্স’-এর জেলা কমিটি ঘোষণা মাটিরাঙ্গায় ১০ লাখ টাকার ভারতীয় জুসের চালান জব্দ করল সেনাবাহিনী আলীকদম সদর ইউপির প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্ব পেলেন কৃষি কর্মকর্তা সোহেল রানা সাঙ্গু নদীতে নৌকাডুবি: নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ দুই দিন পর উদ্ধার গুজব-অপপ্রচার ঠেকাতে সতর্ক থাকার আহ্বান মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়কের রাজস্থলীতে হেডম্যান-কারবারি ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় পাহাড়ি ঢলে নিহত দুই পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন, দেওয়া হলো ৫০ হাজার টাকা সহায়তা লংগদুতে ৯ হাজার গাছের চারা বিতরণ, সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি রাঙ্গুনিয়ায় ৭ বছরের নাতনিকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে নানা গ্রেপ্তার ঈদগাঁওয়ে স্মার্ট কৃষি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে খাগড়াছড়ি থানার নতুন ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন

২০ বছর পলাতক থাকার পর হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা প্রতিনিধি।।
বান্দরবানে প্রায় দুই দশক আত্মগোপনে থাকার পর একটি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও অন্য ধারায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি উসিংনু মার্মা (৩৮)-কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫।

র‍্যাব জানায়, গত রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ১১টা ৫৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১৫-এর সিপিসি-৩ (বান্দরবান ক্যাম্প)-এর একটি আভিযানিক দল বান্দরবান সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের ওয়াই জংশন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার হওয়া উসিংনু মার্মা বান্দরবান সদর থানার লুলাইন হেডম্যানপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং রে অং মার্মার ছেলে।

র‍্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালে বান্দরবান সদর থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলার বিচার শেষে আদালত উসিংনু মার্মাকে মৃত্যুদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। একই মামলার অন্য ধারায় তাকে আরও সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে অতিরিক্ত ছয় মাসের কারাদণ্ডেরও আদেশ দেওয়া হয়।

রায়ের পর থেকে সাজা এড়াতে তিনি দেশের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব।

গ্রেফতারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বান্দরবান সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‍্যাব-১৫ জানিয়েছে, হত্যা, সন্ত্রাস, মাদক, অবৈধ অস্ত্রসহ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *