রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে বাঘাইছড়িতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম (EESS) এর আওতায় , সৌকেসিং প্রোগ্রাম

আলীকদমে ফুটপাত দখল উচ্ছেদে প্রশাসন–সেনাজোনের অভিযান

মো: জয়নাল আবেদীন, আলীকদম প্রতিনিধি।।

আলীকদম বাজার সংলগ্ন এলাকায় ফুটপাত দখল, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা এবং হোটেল-মোটেল গুলোর নানা বিধি অনিয়ম চিহ্নিত করে বাজারকে একটি পরিষ্কার, নিরাপদ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টহল দল ও মোঃ মনজুর আলম, ইউএনও, আলীকদম কর্তৃক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে আলীকদম বাজারে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জোনের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শাদমান সাকিব।
অভিযানের শুরুতেই ফুটপাত ও সড়কের ওপর দখল করে গড়ে ওঠা দোকানপাট, অস্থায়ী স্থাপনা এবং বিশৃঙ্খল বাজার ব্যবস্থাপনা লক্ষ্য করে সেনাবাহিনী কঠোর নজরদারি শুরু করে। ব্যবসায়ীদের অবৈধ দখল তুলে নিতে নির্দেশনা প্রদানসহ বহু অনিয়মিত দোকান চিহ্নিত করা হয়। সেনা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়-বাজারের স্বাভাবিক শৃঙ্খলা বিনষ্ট করে কেউ যদি অনিয়ম চালিয়ে যেতে চায়, তবে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এসময় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন রেস্তোরাঁ, খাবার দোকান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন সেনা সদস্যরা। পরিদর্শনে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অপরিচ্ছন্ন রান্নাঘর, খাবার সংরক্ষণে অব্যবস্থা এবং নোংরা পরিবেশে বাসনপত্র ব্যবহারের মতো একাধিক অনিয়ম পাওয়া যায়। ফলে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষকে তাৎক্ষণিক মৌখিক সতর্কবার্তা দেওয়া হয় এবং অতিথি ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও প্রদান করা হয়।
উক্ত অভিযানের সময় প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ ও ইউনিয়ন পরিষদ আইন, ২০০৯-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মোট ১৬টি দোকানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে নাসির উদ্দীন সওদাগরের দোকানকে ৭,৫০০ টাকা, ইউনিয়ন পরিষদ আইন অনুযায়ী ১০টি দোকানকে ২,৫০০ টাকা করে মোট ২৫,০০০ টাকা এবং ভোক্তা অধিকার আইনের আওতায় ৫টি দোকানকে ১,০০০ টাকা করে মোট ৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। সর্বমোট ৩৭,৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
স্থানীয়রা সেনাবাহিনী এবং উপজেলা প্রশাসনের সময়োপযোগী এই যৌথ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন-বাজারে দীর্ঘদিন ধরে চলমান বিশৃঙ্খলা, ফুটপাত দখল এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা দূর করতে এমন কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আশা প্রকাশ করেন, জনস্বার্থ সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্ন বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর এবং উপজেলা প্রশাসন এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *