April 15, 2026, 6:50 pm
শিরোনাম :
গরু ও ইয়াবা পাচারে বাধা: নাইক্ষ্যংছড়িতে যুবককে পিটিয়ে রক্তাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কাবাডি ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত নিজেই বিধ্বস্ত ২০ হাজার মানুষের চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রটি উৎসবমুখর পরিবেশে সাংগ্রাই ” এর মৈত্রী পানি বর্ষণে মেতে উঠেছিল বান্দরবান চিংম্রং বৌদ্ধ বিহারে সাংগ্রাঁই জল উৎসবে আনন্দে মাতোয়ারা হাজার দর্শক রাঙামাটিতে ৩৪তম নববর্ষ উদযাপন: শোভাযাত্রা ও পান্তা উৎসবে মুখর শহরবাসী নানা আয়োজনে বরকলে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন বরকলে ১২বিজিবির অভিযানে লক্ষাধিক টাকার সেগুন গোলকাঠ আটক খাগড়াছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন ধর্মীয় মূল্যবোধই সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি… পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আলীকদমে সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন জাঁকজমকপূর্ণ বিষু মেলা উদযাপিত এপেক্স বাংলাদেশ মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছে: সাচিং প্রু জেরী খাগড়াছড়িতে বর্ণিল সাংগ্রাই: জলকেলিতে মাতোয়ারা মারমা সম্প্রদায়, পর্যটকদের ঢল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসন আগুণে ঘর পুড়ে যাওয়া বৃদ্ধার পাশে সেনাবাহিনীর কাপ্তাই জোন রাজস্থলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নতুন বছরকে বরণ
Notice :

ঘুমধুমে এলজিইডির সড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ নিম্নমানের খোয়া ও পাহাড়ি মাটি ব্যবহারে ক্ষোভ স্থানীয়দের

Reporter Name

আবদুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান):

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নে এলজিইডির সড়ক সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাইশপাড়ি সীমান্ত সড়ক থেকে রেজু আমতলি পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চৌধুরী অ্যান্ড ব্রাদার্স-এর বিরুদ্ধে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত মান বজায় না রেখে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যেখানে বালু ব্যবহারের কথা সেখানে সরাসরি পাহাড়ি মাটি দিয়ে কাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর অর্থায়নে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির সংস্কার কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে কাজের গুণগত মান নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন উঠেছে।

এলাকাবাসীর দাবি, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের কারণে সড়কটি বর্ষা মৌসুমে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে সরকারি অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি জনদুর্ভোগ বাড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়রা আরও জানান, কাজের তদারকির ঘাটতি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনিয়ম করার সুযোগ পাচ্ছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

তাদের ভাষ্য, সীমান্ত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি মানসম্মতভাবে নির্মাণ না হলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় মারাত্মক প্রভাব পড়বে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

এ বিষয়ে ঠিকাদার আবুবক্করের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কাজের মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”