বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বান্দরবানবান সদর জোনের সেনা দলের উদ্যোগে বন্যাকবলিত ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও উদ্ধার অভিযান বান্দরবানে পর্যটনকেন্দ্র বন্ধের মেয়াদ বাড়ল চেঙ্গী নদীতে রাতের অভিযানে দুই লাখ টাকার নিষিদ্ধ রিং জাল জব্দ দুঃখী মানুষের পাশে সবসময় আছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান- – পার্বত্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল লংগদু সড়ক দুর্ঘটনায় আহত পরিবারের খোঁজ নিতে চমেক হাসপাতালে রাঙামাটির সাংসদ দীপেন দেওয়ানের প্রতিনিধি দল পার্বত্যাঞ্চলের বন্যা-জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের লামায় এক রাতে তিন বসতঘরে ডাকাতি, নগদ টাকা ও মালামাল লুট মাটিরাঙ্গায় ভারী বর্ষণে নদীগর্ভে বিলীন দুটি বসতঘর, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে প্রশাসন ও বিএনপি বিলাইছড়িতে টানা বর্ষণে ফারুয়াসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা বান্দরবানে পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ৭ বসতঘর, টানা বৃষ্টি অব্যাহত মাটিরাঙ্গায় উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে বন্যা দুর্গতদের পাশে জেলা প্রশাসন, আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ ও নগদ সহায়তা টানা বর্ষণে খাগড়াছড়িতে জনজীবন বিপর্যস্ত, পাহাড় ধসে সর্বোচ্চ সতর্কতা টানা বর্ষণে পাহাড়ধসের আশঙ্কা, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ সাজেক ভ্যালী খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় করলিয়া প্রকল্পের উদ্যোগে বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ ভারী বর্ষণে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র ১০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ

বিলাইছড়িতে টানা বর্ষণে ফারুয়াসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা

Reporter Name

​সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি প্রতিনিধি।।
রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণের ফলে ফারুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে কৃষিজমির ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে অনেক বসতঘর, ধর্মীয় উপাসনালয় ও পাড়াকেন্দ্রে পানি ঢুকে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্ভোগে পড়েছেন।

উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামসু তঞ্চঙ্গ্যা বুধবার (৮ জুলাই) সকালে ফারুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, তক্তানালা, ওড়াছড়ি, যমুনাছড়ি, যামুছড়া, শুক্করছড়ি, চাইন্দা, আলেচং, রোয়াপড়াছড়া, এগুজ্যাছড়ি, ঝাংবিল, ফারুয়া বাজার, উলুছড়ি, তাড়াছড়ি, চাইন্দাপাড়া ও গোয়াইনছড়িপাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় কৃষিজমির ফসলের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

যমুনাছড়ি এলাকার বাসিন্দা রবার্ট বম জানান, তাদের গির্জায় বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। পাশাপাশি বসতঘরেও পানি প্রবেশ করায় স্থানীয়দের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, প্লাবিত এলাকায় অনেক বসতঘর, মসজিদ, গির্জা ও পাড়াকেন্দ্রে পানি ঢুকেছে। নিম্ন আয়ের মানুষ কর্মস্থলে যেতে না পারায় জীবিকা নির্বাহে সংকটে পড়েছেন। এছাড়া বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেওয়ায় পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, প্রবল স্রোতের কারণে বিভিন্ন এলাকার সড়ক ও নৌপথে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

এদিকে, ফারুয়া ইউনিয়নের পাশাপাশি বিলাইছড়ি সদর ও কেংড়াছড়ি ইউনিয়নেরও বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও বন্যার প্রভাব পড়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *