শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়ার নির্দেশে মাইসছড়িতে পানিবন্দি ১৫০ পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দিল মহালছড়ি বিএনপি উপজেলা প্রশাসন ও মহালছড়ি জোনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পাকিজাছড়িতে বন্যার্ত দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ থানচিতে বন্যা দুর্গতদের পাশে উপজেলা প্রশাসন পানছড়িতে পাহাড়ি ঢলে ছড়ার গর্ভে বিলীন পানছড়ির নালকাটা-শুকনাছড়ি সড়ক রাঙ্গুনিয়ায় রাজানগরে বিশাল অজগর উদ্ধার: ঠান্ডাছড়ির গহীন অরণ্যে অবমুক্ত রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়াতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রবল বর্ষণে ঘরের দেয়াল ধস , গুরুতর আহত বৃদ্ধার জীবন বাঁচাতে দ্রুত এগিয়ে এলো মহালছড়ি জোনের সেনাবাহিনী তিন পার্বত্য জেলায় দুর্যোগ মোকাবিলায় পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুম চালু বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করেছে জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর ফেনী নদী ও বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে রামগড় ইউএনও লামায় ভারী বর্ষণে চাম্বি কলেজের বাউন্ডারি ওয়াল ধস, ঝুঁকিতে চারতলা ভবন রাজস্থলীতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি, বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিচ্ছে প্রশাসন বন্যা দুর্গত মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা প্রদান করছে বিজিবির রাতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী লামায় পাহাড়ধসে একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৫ রাঙামাটিতে দুর্গত মানুষের পাশে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল, তিন পার্বত্য জেলায় ১,৩০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ

রাতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

Reporter Name

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙ্গামাটি।।
টানা ভারী বৃষ্টি বর্ষণ ও পাহাড় এলাকা বিপর্য়স্ত রাঙ্গামাটির সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নিতে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে রাঙামাটিতে পৌঁছান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল। পরে তিনি শহরের ভেদভেদী এলাকায় বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য খোলা আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা দুর্গত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং ত্রাণসামগ্রী ও খাবার বিতরণ করেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের সব সংস্থা দুর্গত মানুষের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করছে।

প্রতি মন্ত্রী বলেন , প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তাঁর সরাসরি নির্দেশনায় তিন পার্বত্য জেলার জন্য মোট ১ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাঙামাটির জন্য ৫০০ মেট্রিক টন, খাগড়াছড়ির জন্য ৪০০ মেট্রিক টন এবং বান্দরবানের জন্য ৪০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তবে দুর্গত মানুষের জন্য নগদ সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে, সরকার সে বিষয়েও উদ্যোগ নিয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে। অনেক সময় সতর্কবার্তা অমান্য করার কারণেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাবার, বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, গত কয়েক দশকের মধ্যে এমন ভারী বর্ষণ খুব কম দেখা গেছে। অতিবৃষ্টি ও ভূমিধস একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তবে মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতি মন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার, জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণকে সচেতন করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে উৎসাহিত করতে হবে। মানুষের জীবন রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আবহাওয়ার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নতুন করে কোথাও পাহাড়ধস বা বন্যার ঝুঁকি দেখা দিলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাঙামাটি জেলার ১০ উপজেলায় ২১২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯ শতাধিক মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানাযায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *