রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে বাঘাইছড়িতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম (EESS) এর আওতায় , সৌকেসিং প্রোগ্রাম

ঈদগাঁওতে বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ঈদগাঁও প্রতিনিধি।।
oplus_2

ঈদগাঁও প্রতিনিধি।।
কক্সবাজারের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে মহান শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। ১৪ ডিসেম্বর রবিবার সকালে এ উপলক্ষে বিদ্যালয় মিলনায়তনে (তৃতীয় তলায়) নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় ।
 গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, নীরবতা পালন, দোয়া মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক খুরশীদুল জন্নাতের সভাপতিত্বে এতে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন সিনিয়র শিক্ষক মোঃ রেজাউল করিম। শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গণিত বিভাগের সহকারী শিক্ষক আব্দুল খালেক মিশু ও বাংলা বিভাগের সহকারী শিক্ষক জসীম উদ্দীন। ইংরেজি বিভাগের সহকারী শিক্ষক মোঃ হাবিবুল্লাহর সঞ্চালনায় এতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন পারফরমেন্সে অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য দেন অনুষ্ঠানের সভাপতি খুরশীদুল  জন্নাত।
সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বক্তারা শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের ঐতিহাসিক পটভূমিকা তুলে ধরে বলেন, বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতে এদিন বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। পাকিস্তানী আর্মির হাত থেকে রেহায় পায়নি বাংলার প্রগতিশীল সমাজ। তাদের মধ্যে ছিলেন শিক্ষক, সাংবাদিক, কবি, লেখক, প্রকৌশলী সহ সমাজের নানা ক্ষেত্রের মেধাবী ব্যক্তিত্বরা।
বক্তারা আরো বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস বাংলাদেশের একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস। প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বরের এ দিবস পালন করা হয়। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হল সেই দিন যেদিন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শেষ লগ্নে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা পরিকল্পিতভাবে এদেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করে।
স্বাধীনতা দিবসের মাত্র দু’দিন আগে পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করতে ঢাকার রায়ের বাজার ও মিরপুর সহ বিভিন্ন স্থানে বুদ্ধিজীবীদের ধরে নিয়ে হত্যা করে।
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করার জন্য, নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বর্বরতার কথা জানাতে, বুদ্ধিজীবী হত্যার মাধ্যমে দেশকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের কথা মনে করিয়ে দিতে এবং শহীদদের আত্মত্যাগ থেকে নৈতিক ও দেশপ্রেমের শিক্ষা নিতে এ দিবসটি গুরুত্ব সহকারে পালিত হচ্ছে বলে জানান আলোচকরা।
এর আগে দোয়া মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক। কর্মসূচিতে ভারপ্রাপ্ত সহকারি প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ সিরাজুল হক, সিনিয়র শিক্ষক নুরুল কবির, পূর্ণাম পাল, এস, এম, তারিকুল হাসান (তারেক) সহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে একই ভেন্যুতে ডিসপ্লেতে অংশগ্রহণ করে ছাত্রছাত্রীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *