
সরেজমিনে বিলাইছড়ি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোট আকারের তরমুজ প্রতি পিস ২০ টাকায় এবং বড় আকারের তরমুজ সর্বোচ্চ ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরমের তীব্রতায় এই ফলটির চাহিদা বাড়ায় বিক্রেতারাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. ফারুক, বাচ্চু মিয়া ও হোসেন আলী জানান, তারা রাঙ্গামাটির বিভিন্ন এলাকা—মাইনী, লংগদু ও কাপ্তাই থেকে তরমুজ সংগ্রহ করে শতাংশ হিসেবে কিনে বিলাইছড়ি বাজারে বিক্রি করেন। এতে তাদের লাভের পাশাপাশি ক্রেতারাও তুলনামূল্যে কম দামে তরমুজ পাচ্ছেন।
বাজারে দেখা যায়, ছোট তরমুজগুলো বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেশি জনপ্রিয়। অন্যদিকে দূরদূরান্ত থেকে আসা ক্রেতারা তুলনামূলক বড় তরমুজ কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিলাইছড়ি উপজেলায় পর্যাপ্ত পতিত জমি না থাকা এবং জলাবদ্ধতার কারণে তরমুজ চাষ তুলনামূলক কম হয়ে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাইরের এলাকা থেকে তরমুজ এনে বিক্রি করা হয়। তবে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী উপযুক্ত জমি নির্বাচন করে চাষ করা গেলে এই উপজেলাতেও তরমুজ উৎপাদনের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।