বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, ঔষধ ও ত্রাণ বিতরণ সেনাবাহিনী ১৬ বেঙ্গল’র উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় শিক্ষা ও মানবিক সহায়তা প্রদান খাগড়াছড়ি পৌরসভার ১৩৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা, নতুন কর নেই খাগড়াছড়িতে ১৭৬ বন্যাকবলিত পরিবার পেল নগদ সহায়তা ও স্বাস্থ্যবিধি সামগ্রী সাজেকে নিহত শিক্ষিকার পরিবারকে পাশে থাকার আশ্বাস বিজিবির বান্দরবানে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষমেলা শুরু, দেশীয় প্রজাতির গাছ রোপণে গুরুত্বারোপ পানছড়িতে বন্যাদুর্গত ১৫০ পরিবার পেল ত্রাণ সহায়তা খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা ভাষা শিক্ষা ক্লাবের উদ্বোধন রাঙ্গুনিয়ায় অসহায় ও অসুস্থ রোগীদের আর্থিক সহায়তা দিল প্রবাসী কর্ণফুলী ক্রীড়া পরিষদ আগাম প্রস্তুতিতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমেছে, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠনের ঘোষণা পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর ছয় মাসে বদলে গেল মহাপুরম উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের চিত্র বান্দরবানে শতাধিক বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ উখিয়ায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর স্বাস্থ্যসচেতনতা কর্মসূচি, ৪৭৭ জনের চিকিৎসাসেবা বিলাইছড়ির ফারুয়ায় বন্যাদুর্গত আরও ৬০০ পরিবারকে ত্রাণ দেবে আশিকা পানছড়ি বাজারে নিষিদ্ধ পিরানহা বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

লামায় পাহাড়ি ঢল ও ধসে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক-সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা প্রতিনিধি।।
বান্দরবানের লামা উপজেলায় ভারি বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গ্রামীণ সড়ক, সেতু, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মৎস্য প্রকল্প ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, টানা সাত দিনের বৃষ্টিতে কেয়াজুপাড়া বাজারপাড়া থেকে পুলাংপাড়া যাওয়ার একমাত্র সড়কের বিভিন্ন অংশ ধসে গেছে। ইট নির্মিত সড়কে বড় বড় ফাটল ও ভাঙন সৃষ্টি হওয়ায় পাশে থাকা একটি বিদ্যুতের খুঁটিও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে কিল্লা-বটতলীপাড়া হয়ে আন্ধারী এলাকায় যাওয়ার সড়কের ডলু খালের ওপর নির্মিত সেতুটি পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোতে ধসে গেছে। এতে কিল্লাছড়া, বটতলী, ধুমছাপাড়া ও আন্ধারীপাড়াসহ অন্তত ছয়টি গ্রামের সঙ্গে ইউনিয়ন সদরের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, ২০১২ সালে নির্মিত সেতুটি ছিল ওই এলাকার মানুষের একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম।

প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মারকাযুল উলূম আল-ইসলামিয়া তাহফিযুল কুরআনুল কারীম মাদরাসা ও সংলগ্ন মসজিদ। পানির স্রোতে মাদরাসার নিচের মাটি সরে যাওয়ায় শ্রেণিকক্ষ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। এতে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পাহাড়ি ঢলের পানিতে সরই ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকার সবজি ও অন্যান্য ফসল তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এছাড়া কম্পোনিয়া পাড়া, কালাইয়া পাড়া ও টংগঝিরি পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ১০ থেকে ১২টি বসতঘর পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ডলুছড়ি বাজারপাড়ার বাসিন্দা মো. ইকবাল ও হাছনাপাড়ার জয়নাল আবেদীন জানান, পাহাড়ি ঢলে মাছের ঘেরের বাঁধ ভেঙে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া আরও অন্তত আটটি মৎস্য খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার লোকসান হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বৃষ্টি কমে যাওয়ার পর ১০ থেকে ১২ দিন পার হলেও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, সেতু ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কারে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিনই দুর্ভোগ বাড়ছে।

সরই ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রাশেদুল হক জানান, ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *