রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাইভেট পড়তে গিয়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মেয়ে নিখোঁজ; থানায় জিডি রাজস্থলীতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জলবায়ু ঘোষণা উপলক্ষে সেমিনার অনুষ্ঠিত পল্লী দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অপরাধ দমন, অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ৩২ বিজিবি খাগড়াছড়ি ব্যাটালিয়নের সীমান্তে অপারেশনাল বেস স্থাপন নওমুসলিম ছেলে-মেয়েদের অপহরণ করে ঋষি আশ্রমে নির্যাতন করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে রাঙামাটিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ২২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎযাপন খাগড়াছড়িতে বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের মিলনমেলা, তরুণদের সৃজনশীল ভাবনায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন গুম-অপহরণের ‘নাটক’ ও অপপ্রচারের অভিযোগে কাচালং সরকারি কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন

সমাজে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। অধ্যাপক থানজামা লুসাই

Reporter Name

বশির আহমেদ, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য জনপদে শিক্ষা, মানবিকতা ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল নাম—অধ্যাপক থানজামা লুসাই। পাহাড়ি লুসাই জনগোষ্ঠীর একজন গর্বিত সন্তান হিসেবে তিনি কেবল একজন শিক্ষাবিদই নন, বরং একটি ইতিহাস, একটি আদর্শ এবং একটি অনুপ্রেরণার প্রতীক।

অধ্যাপক থানজামা লুসাই দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা করেছেন। তাঁর শিক্ষাদান ছিল কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—বরং মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও সমাজ সচেতনতা গড়ে তোলাই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য। তিনি বিভিন্ন সরকারি কলেজে অধ্যাপক ও অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাঁর নেতৃত্বে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়ন, শৃঙ্খলা ও মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বর্তমানে তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে একই পদে দায়িত্ব পালন করে তিনি প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনমুখী নেতৃত্বের প্রমাণ দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো বৃদ্ধি, শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা লক্ষ্য করা গেছে। পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতেও তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

অধ্যাপক থানজামা লুসাই একজন সৎ, নীতিমান, আদর্শবান ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ হিসেবে সুপরিচিত। তাঁর জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা, পরোপকারিতা ও মানবকল্যাণের চর্চা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার প্রসার ঘটানো এবং তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করার ক্ষেত্রে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

পাহাড়ি বাঙালি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে অধ্যাপক লুসাইয়ের প্রতি রয়েছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তারা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কর্মময় জীবনের ধারাবাহিক সফলতা কামনা করেন।

স্থানীয়দের বিশ্বাস—তাঁর অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও নৈতিক নেতৃত্ব পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতায় আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অধ্যাপক থানজামা লুসাই কেবল একজন ব্যক্তি নন—তিনি একটি আদর্শ, একটি মূল্যবোধের নাম। শিক্ষা, প্রশাসন ও মানবিক নেতৃত্বের সমন্বয়ে তিনি পাহাড়ি সমাজে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *