April 16, 2026, 12:02 am
শিরোনাম :
গরু ও ইয়াবা পাচারে বাধা: নাইক্ষ্যংছড়িতে যুবককে পিটিয়ে রক্তাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কাবাডি ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত নিজেই বিধ্বস্ত ২০ হাজার মানুষের চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রটি উৎসবমুখর পরিবেশে সাংগ্রাই ” এর মৈত্রী পানি বর্ষণে মেতে উঠেছিল বান্দরবান চিংম্রং বৌদ্ধ বিহারে সাংগ্রাঁই জল উৎসবে আনন্দে মাতোয়ারা হাজার দর্শক রাঙামাটিতে ৩৪তম নববর্ষ উদযাপন: শোভাযাত্রা ও পান্তা উৎসবে মুখর শহরবাসী নানা আয়োজনে বরকলে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন বরকলে ১২বিজিবির অভিযানে লক্ষাধিক টাকার সেগুন গোলকাঠ আটক খাগড়াছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন ধর্মীয় মূল্যবোধই সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি… পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আলীকদমে সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন জাঁকজমকপূর্ণ বিষু মেলা উদযাপিত এপেক্স বাংলাদেশ মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছে: সাচিং প্রু জেরী খাগড়াছড়িতে বর্ণিল সাংগ্রাই: জলকেলিতে মাতোয়ারা মারমা সম্প্রদায়, পর্যটকদের ঢল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসন আগুণে ঘর পুড়ে যাওয়া বৃদ্ধার পাশে সেনাবাহিনীর কাপ্তাই জোন রাজস্থলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নতুন বছরকে বরণ
Notice :

হাতির তাণ্ডবে লামায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি, কৃষকদের উদ্বেগ

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা প্রতিনিধি

পার্বত্য জেলা বান্দরবান-এর লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়ন-এর খেদারবান পাড়া ৫নং ওয়ার্ড এলাকায় বন্য হাতির তাণ্ডবে কৃষকদের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খেদারবান পাড়ার কৃষক আনোয়ার হোসেনের ধান ও সবজি ক্ষেতে বন্য হাতির একটি দল ঢুকে পড়ে। এ সময় ধানক্ষেত ও সবজি ক্ষেত পায়ের নিচে পিষ্ট হয়ে যায়। এতে দীর্ঘদিনের পরিশ্রমে ফলানো ফসল নষ্ট হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারগুলো চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছে।

এলাকাবাসী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে লামা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে বন্য হাতির তাণ্ডব উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে ফসলি জমিতে হাতির দল ঢুকে ধান রোপণের দুই-এক মাসের মধ্যেই বিঘার পর বিঘা জমির ধান খেয়ে ও মাড়িয়ে নষ্ট করছে। এতে কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি বাড়ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে আনোয়ার হোসেন ছাড়াও নুরুচ্ছাফা, সাহাব উদ্দিন, মোহাম্মদ রাকিব, জুবাইর, মিজবাহ উদ্দীন, জসিম উদ্দিন ও এখেলাসসহ আরও অনেকে রয়েছেন। তারা জানান, ফসল নষ্ট হওয়ায় পরিবার চালানো নিয়ে তারা অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

লামার ডলুছড়ি রেঞ্জ অফিসার এস. এম. হাবিবুল্লাহ জানান, প্রতি বছরই বন্য হাতির আক্রমণে এ অঞ্চলে ফসলহানি ঘটে। শুধু ফসল নয়, অনেক সময় ক্ষুধার্ত হাতির দল লোকালয়ে ঢুকে ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে, এতে জানমালের ক্ষতির পাশাপাশি প্রাণহানির ঝুঁকিও থাকে।

বন বিভাগের তথ্যমতে, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী হাতির আক্রমণে ফসল ও সম্পদের ক্ষতির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করলে ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারি ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

এদিকে স্থানীয় কৃষকরা হাতি ও মানুষের এই দ্বন্দ্ব নিরসনে স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, একদিকে পরিকল্পিত বনায়ন, অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা নিশ্চিত করা হলে পরিস্থিতি কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।