বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
থানচিতে আগুনে ১৩ দোকান পুড়ে ছাই ব্যাঙছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপকরণ বিতরণ মাটিরাঙ্গায় বেহাল সড়ক মেরামতে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগ বিলাইছড়িতে এমপির প্রতিনিধি জাফর আহাম্মদ ও ধনমনি চাকমা তামাক চাষ বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান লক্ষীছড়ির দুল্যাতলীতে প্রান্তিক কৃষকদের কৃষি প্রশিক্ষণ পুষ্টিকর খাবারের রান্না প্রদর্শনী ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত মাইসছড়ি চৌধুরী পাড়ায় বাঘাইছড়িতে জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা হাজী নুরুল আলম একাদশের লংগদু জোন সদরে গণ্যমান্যদের সঙ্গে সমন্বয় সভা লামায় ৫ ইটভাটা মালিককে আসামী করে থানায় মামলা সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ছানি অপারেশনের জন্য চট্টগ্রামে গেলেন ৮৪ রোগী মাদকদ্রব্য সেবন ও এলাকার শৃঙ্খলা নষ্টের দায়ে নারীসহ দুজনকে জেল জরিমানা কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অজগর অবমুক্ত বাঘাইছড়িতে জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যকে বিএনপির বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির দায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড মাটিরাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে আলোক ফাঁদ স্থাপন

পানছড়িতে পৈত্রিক সম্পত্তি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে দুই বোনের সংবাদ সম্মেলন

সৈয়দ এম এ বাসার, প্রতিনিধি পানছড়ি।

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে ভাতিজাদের জুলুম, দখল ও প্রাণনাশের হুমকির শিকার হওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দুই বোন, নাছিমা বেগম ও হোসনেয়ারা বেগম।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পানছড়ি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তারা অভিযোগ করেন, তাদের মরহুম পিতা হাফেজ আহাম্মদ সাহেবের রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে আইনগত অধিকার থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে তারা বঞ্চিত হয়ে আসছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, তারা দুই বোন ও পাঁচ ভাই একই পিতার সন্তান। বর্তমানে সকল ভাই মারা গেছেন। ২০১১ সালে দুই বোনের প্রাপ্য ১০.৫ শতক (০.১০৫ একর) জমি বণ্টনের সময় সকল ভাই অনাপত্তি দিলেও ছোট ভাই কুনা মিয়া জোরপূর্বক জমিটি দখল করে নেন। পরবর্তীতে কুনা মিয়ার মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশ মো. আবুল কাশেম ও আব্দুল কাদের জমিটি দখলে রাখেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, তিন ভাই স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে জমি বণ্টনের আবেদন করলে ৩নং পানছড়ি ইউপির তৎকালীন চেয়ারম্যান অসেতু বিকাশ চাকমা তিন ইউপি সদস্যের সহায়তায় বণ্টন করেন। তবে কুনা মিয়া তা মানেননি। বাধ্য হয়ে দুই বোন খাগড়াছড়ি বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-৫৬/২০১১)। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১৩ সালের ১৯ মে আদালত তাদের পক্ষে চূড়ান্ত রায় দেন।

তাদের অভিযোগ, আদালতের রায় অমান্য করে অভিযুক্তরা জমিটি অন্যত্র বিক্রি করেছেন। এছাড়া মো. আবুল কাশেম ও আব্দুল কাদের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পুনরায় জমি দখল ও বিক্রি করেছেন। তারা অতীতেও ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বর্তমানে একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, বিষয়টি উপজেলা ও জেলা জামায়াতের কর্মকর্তাদের জানানো হলেও সমাধান হয়নি। বরং অভিযুক্তরা বিভিন্নভাবে হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন।

ভুক্তভোগী দুই বোন প্রশাসন ও সাধারণ জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “আমরা আমাদের বাবার রেখে যাওয়া ন্যায্য সম্পত্তি চাই। আদালতের রায় বাস্তবায়ন এবং জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *