মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে বিশেষ অভিযান; ইউপিডিএফ (মূল) এর ৩ জন সশস্ত্র চাঁদাবাজ গ্রেফতার মানিকছড়িতে ‘‘আলোকিত মানিকছড়ি” জনকল্যাণ সংস্থার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের আভাস শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পার্বত্য মন্ত্রীর পদত্যাগ রুমায় ঝড়ে বৃদ্ধের ঘরে গাছের ডাল, অল্পের জন্য রক্ষা কর্ণফুলীতে নৌকাডুবি: ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা ৪ কিশোরকে পুলিশের সাহসিকতা সম্মাননা উচ্চশিক্ষায় আগ্রহ বাড়াতে ঈদগাঁওয়ে কর্মশালা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রামগড়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাঙামাটিতে ভূষণছড়া হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে শোকসভা রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে হেডম্যান-কারবারি সম্মেলন পাহাড়ি ঢলে দীঘিনালার মধ্য বোয়ালখালীতে কালভার্ট ধস, দুর্ভোগে ২০০ পরিবার প্রত্যন্ত সিন্দুকছড়ি থেকে বিশ্বমঞ্চে সাফল্যের উড়ান: পিএইচডি অর্জন করলেন ড. সজীব ত্রিপুরা স্বেচ্ছাশ্রমে কবরস্থান সংস্কারে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রামুতে ‘প্রজন্ম’ ৯৫-এর উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও ক্রেস্ট প্রদান রাজস্থলীতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উদযাপন স্মৃতির আবেগে মুখর কাচালং স্কুলের এসএসসি ’৯১ ব্যাচের দ্বিতীয় পুনর্মিলনী
Notice :

রাঙামাটিতে ভূষণছড়া হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে শোকসভা

Reporter Name

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি।।
রাঙামাটির বরকল উপজেলায় ১৯৮৪ সালে সংঘটিত ভূষণছড়া হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) রাঙামাটি জেলা শাখা।

রোববার (৩১ মে) আছরের নামাজের পর রাঙামাটি শহরের কাঠালতলী জামে মসজিদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন পিসিসিপি রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম তাজ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব আলী শিকদার, রাঙামাটি জেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা ইব্রাহিম, পিসিসিপির সহসভাপতি মো. বখতিয়ার উদ্দিন ও সহসাধারণ সম্পাদক আরিয়ান রিয়াজসহ অন্যরা।

বক্তারা দাবি করেন, ১৯৮৪ সালের ৩১ মে রাঙামাটির দুর্গম ভূষণছড়া এলাকায় সংঘটিত হামলায় চার শতাধিক বাঙালি নিহত হন। তারা এ ঘটনার জন্য তৎকালীন জেএসএসের সশস্ত্র শাখা শান্তিবাহিনীকে দায়ী করেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় বহু ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে এবং বিপুলসংখ্যক পরিবার এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়।

বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা বা বিচার হয়নি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোও ক্ষতিপূরণ পায়নি।

এ সময় তারা পার্বত্য অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযান এবং বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন।

শোকসভা শেষে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *