
দীপক সেন, স্টাফ রিপোর্টার, মহালছড়ি
দীর্ঘদিন যাবত রক্ষণাবেক্ষণ, সংস্কার ও মেরামত না করার কারণে এ সম্প্রতি প্রবল ভারী বর্ষণ অবিরাম বৃষ্টিপাতের কারণে খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলি চলাচল ও হাঁটাচলা করারও অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে উপজেলার ১নং সদর ইউনিয়নের টিলাপাড়া মাষ্টারপাড়া, চোংড়াছড়ি গুচ্ছগ্রাম কাটিংটিলা পাহাড়তলী, কেরেঙ্গানাল, বসন্তপাড়া, নতুন পাড়ার এসব আভ্যন্তরীণ গ্রামীণ সড়ক ও রাস্তাগুলি দিয়ে হালকা যানবাহনগুলি চলাচল করতো এবং উপজেলা শহর মহালছড়ি উপজেলা প্রশাসন, ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল, বিদ্যুৎ সহ জরুরী সেবা প্রতিষ্ঠান গুলির সাথে দ্রুত যোগাযোগের একমাত্র ভরসা উল্লেখিত জনগুরুত্বপূর্ণ আভ্যন্তরীন গ্রামীন সড়কগুলি। এছাড়াও উপজেলাকে কেন্দ্র করে অবস্থিত কলেজ, উচ্চ বিদ্যালয় সরকারী বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে অধ্যায়নরত আনুমানিক তিন-চার হাজার ছাত্র-ছাত্রী এসব উল্লেখিত আভ্যন্তরীন গ্রামীন সড়কগুলি প্রতিদিন বিদ্যালয়গুলিতে আসা-যাওয়া করে থাকে। পাশাপাশি এসব বিদ্যালয়গুলির প্রায় দুইশত শিক্ষককে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করতে হয়। উপজেলা প্রশাসন সহ সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারী যারা অত্র এলাকায় বসবাস করেন তাদেরকে প্রতিদিন কর্মস্থলে আসতে হয়। এ ধরণের অতিব জনগুরুত্বপূর্ণ গ্রামীন যোগাযোগ ব্যবস্থার একমাত্র ভরসা বা অবলম্বন গ্রামীন সড়ক ও রাস্তাগুলি দীর্ঘকাল রক্ষনাবেক্ষণ ছাড়া, সংস্কার ও মেরামত ছাড়া, অযত্ন, অবহেলা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এক উদাসিনতার কারনে দিনে দিনে অল্প অল্প করে সড়কগুলি দু’পাশে ভাঙন সহ সড়কগুলি ছাল-বাকলসহ উঠে গিয়ে বর্তমানে উল্লেখিত সড়ক এতই করুণ ও শোচনীয় অবস্থাতে এসব রাস্তাগুলি দিয়ে ছোট খাট হালকা যানবাহন চলাচলতো দুরের কথা, পায়ে হেঁটে চলাচল করা দু:সাধ্য হয়ে উঠেছে।
এসব সড়কগুলির ব্যবহারকারী লক্ষ জনতার প্রাণের দাবী স্থানীয় প্রশাসন সরকারের এতদ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ এবং সরকারী দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার জনপ্রতিনি সহ সকলে একযোগে এসব সড়কগুলি সরজমিনে পরিদর্শন তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন আশা ও প্রত্যাশা করেন এলাকার সকল মহলের সর্বস্থরের সাধারণ ভুক্তভোগী সাধারণ জনগণ।