বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লামায় ১১ মাস পর শিশু হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার সাংবাদিক-প্রশাসনের সমন্বয়ে জনসেবা আরও কার্যকর হবে: ইউএনও মিশকাতুল তামান্না মহালছড়িতে একমাত্র A+ পাওয়া টুম্পা চাকমাকে উপজেলা প্রশাসনের ফুলেল সংবর্ধনা ও সহায়তা প্রদান কাপ্তাইয়ে বিশ্ব হাতি দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা কাপ্তাই জেটিঘাটে কচুরিপানার স্তূপ, ব্যাহত নৌযান চলাচল মহালছড়িতে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও করণীয় নিয়ে অংশীজন সভা শান্তি-সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার প্রত্যয়ে লক্ষীছড়ি জোনের ১০ বছর সিন্দুকছড়ি জোনের আয়োজনে মানিকছড়িতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত রাঙ্গামাটিতে মাছ ধরতে গিয়ে জেলের মৃত্যু মানিকছড়ির সিন্দুকছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন ও মানবিক সহায়তা প্রদান সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে…. প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল লংগদু সেনা জোনের মানবিক উদ্যোগ; বিনামূল্যে চক্ষু অপারেশনের ৮১ রোগীকে চট্টগ্রামে প্রেরণ খাগড়াছড়িতে স্থায়িত্বশীল স্বাস্থ্য অধিকার ফোরাম গঠনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা মানিকছড়িতে সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল ক্যাম্প, চিকিৎসা পেলেন ১৩০ জন সুবিধা কম, সাফল্য বেশি—মহালছড়িতে আবারও সেরা মাইসছড়ি আইডিয়াল মাটিরাঙ্গায় যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে যাত্রীছাউনি উদ্বোধন

গুইমারায় এসএসসি ও সমমানে বিপর্যয়কর ফলাফল, ৫ প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৩৪.৬২ শতাংশ

Reporter Name

দিদারুল হৃদয়, গুইমারা প্রতিনিধিঃ

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশানুরূপ ফলাফল হয়নি। মোট ৪৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ১৫৩ জন। ফলে পাঁচ প্রতিষ্ঠানে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৬২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ২ জন।

প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম পাসের হার হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ৩২ জন। পাসের হার ১৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি।

অন্যদিকে সিন্দুকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৮ জন। পাসের হার ২৪ দশমিক ৩২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

গুইমারা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪০ জন। পাসের হার ৪০ দশমিক ৮২ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানেও কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি।

তুলনামূলকভাবে ভালো ফল করেছে গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা ও শহীদ লে. মুশফিক উচ্চ বিদ্যালয়। গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ৫০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৬২ শতাংশ এবং একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। অন্যদিকে শহীদ লে. মুশফিক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৭ জনের মধ্যে ৩২ জন পাস করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি উপজেলার পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক ফলাফলে এমন চিত্র উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে তিনটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ৪১ শতাংশের নিচে হওয়ায় শিক্ষার মান, নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, অভিভাবকীয় তদারকি এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত সহায়তার বিষয়গুলো নতুন করে গুরুত্ব দিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।

অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, শুধু পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর দায় নির্ধারণ না করে কোন কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে, শিক্ষকদের পাঠদানের পরিবেশ কেমন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার এবং ঝরে পড়ার কারণ কী—এসব বিষয় বিশ্লেষণ করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *