বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুদকের মামলায় কারাগারে বান্দরবানের পিআইও, সাময়িক বরখাস্ত খাগড়াছড়িতে মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালী ও আলোচনা বাঘাইছড়িতে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস: ৩০ বছর পরও বিচারের দাবিতে স্বজনদের কর্মসূচি দীঘিনালায় প্রথমবার আখ চাষ, ৩-৪ লাখ টাকা আয়ের আশা বদন কুমার চাকমার রাঙ্গামাটিতে ৪২ মোবাইল ও ৭৭ হাজার টাকা উদ্ধার, মালিকদের কাছে হস্তান্তর ‘ম্যাডাম’ না বললে মেলে না চিকিৎসাসেবা—গুইমারায় ইসলামিক মিশন প্রধানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ যুবসমাজকে ক্রীড়ামুখী করতে রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ কাপ্তাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা বাঘাইছড়িতে সাড়ে ৪ লাখ টাকার অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করল বিজিবি লামায় পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ, ৩ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা দীঘিনালায় সম্প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মাতামুহুরি কলেজে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ লামায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  রাজস্থলীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

অনলাইন হাজিরার পর আলোচনায় পাগয্যাছড়ি বিদ্যালয়, উঠল আগাম ছুটির অভিযোগ

Reporter Name

মো. আব্দুজ জাহের, বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি।।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকার পাগয্যাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমগাছে উঠে অনলাইন হাজিরা দেওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিদ্যালয়টি দেশব্যাপী আলোচনায় আসে। তবে ওই ঘটনার পর এবার বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে আগাম ছুটি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৩৪ নম্বর রূপকারী ইউনিয়নের পাগয্যাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তাহের গত ১৫ জুন নেটওয়ার্ক সংকটের কারণে বিদ্যালয়ের পাশের একটি আমগাছে উঠে অনলাইন হাজিরা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের নেটওয়ার্ক সমস্যার বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ববোধ ও কর্মনিষ্ঠার প্রশংসা করেন। তবে স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও বাসিন্দা বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ দিন দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যেই শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে প্রতিবেদক দুপুর ১টার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে সেটি বন্ধ অবস্থায় দেখতে পান। সে সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কোনো শিক্ষার্থী বা পাঠদান কার্যক্রমের উপস্থিতি দেখা যায়নি। বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি, নিয়মিত ও পূর্ণ সময় পাঠদান নিশ্চিত না হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তারা বিদ্যালয়ের উপস্থিতি, পাঠদানের সময়সূচি এবং সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।

দুর্গম এলাকায় নেটওয়ার্ক সংকটের কারণে আমগাছে উঠে অনলাইন হাজিরা দেওয়ার ঘটনা যেমন অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে, তেমনি বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে ওঠা অভিযোগও নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র উদ্ঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *