বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পরিচ্ছন্ন ও পর্যটনবান্ধব বান্দরবান গড়াই আমাদের লক্ষ্য’: পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু আর্থিক সংকটে থমকে যাচ্ছিল উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন; মহালছড়ি সেনা জোনের কলেজে ভর্তি ও শিক্ষা ব্যয়ে আর্থিক সহায়তা প্রদান থানচিতে বনশুকরের আক্রমণে পিতা ও সন্তান গুরুতর আহত গুইমারায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিশেষ চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প, বিনামূল্যে চশমা ও ওষুধ বিতরণ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে রাঙামাটিতে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিবাদ সমাবেশ বান্দরবানের ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত মেরামতের নির্দেশ পার্বত্য মন্ত্রীর দীঘিনালা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাঘাইছড়িতে ২৭ বিজিবির অভিযানে ৩ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট জব্দ বরকলে হরিনা জোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন রামুতে ২০ হাজার ইয়াবাসহ যুবক আটক মাটিরাঙ্গায় নতুনপাড়া জামে মসজিদের ভবন উদ্বোধন আলীকদমের সাত মাসের শিশু নিখোঁজ, হাসপাতালে মিলল আরেক শিশু কাপ্তাইয়ে বিএফআইডিসি এলপিসি ইউনিটে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা রাঙ্গামাটিতে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন দীঘিনালায় প্রথমবারের মতো স্কাউট লিডার কোর্সের উদ্বোধন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী পদে অপু বড়ুয়ার যোগদান

ফাইতং খালে সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে হাজারো মানুষ

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা প্রতিনিধি।।
বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের খোজ্যাখোলা এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে একটি সেতুর অভাবে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলে খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাইতং খালের দুই পাশে প্রায় এক হাজারের বেশি পরিবারের বসবাস। খালের ওপর কোনো স্থায়ী সেতু না থাকায় প্রতিদিন কর্মস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াতের জন্য স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে বর্ষাকালে খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পারাপার আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ সময় তিন চাকার যানবাহনসহ অন্যান্য যান পারাপারে একাধিক ব্যক্তির সহযোগিতা প্রয়োজন হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, এলাকায় কোনো বিদ্যালয় না থাকায় শিশু-কিশোরদের পড়াশোনার জন্য খাল পেরিয়ে অন্য এলাকায় যেতে হয়। বর্ষাকালে খালের পানি ও স্রোত বেড়ে যাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারে না। ফলে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

এ ছাড়া জরুরি চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রেও সেতুর অভাব বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতে বা প্রতিকূল আবহাওয়ায় কোনো রোগী অসুস্থ হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে রোগী ও স্বজনদের চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিজেদের উদ্যোগে কয়েকবার বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলেও বর্ষার প্রবল স্রোতে সেগুলো টেকেনি। ফলে বর্ষা মৌসুমে খালের দুই পাশের কয়েকটি গ্রাম কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ফাইতং খালের ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সেতু নির্মিত হলে শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *