বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুদকের মামলায় কারাগারে বান্দরবানের পিআইও, সাময়িক বরখাস্ত খাগড়াছড়িতে মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালী ও আলোচনা বাঘাইছড়িতে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত পাকুয়াখালী গণহত্যা দিবস: ৩০ বছর পরও বিচারের দাবিতে স্বজনদের কর্মসূচি দীঘিনালায় প্রথমবার আখ চাষ, ৩-৪ লাখ টাকা আয়ের আশা বদন কুমার চাকমার রাঙ্গামাটিতে ৪২ মোবাইল ও ৭৭ হাজার টাকা উদ্ধার, মালিকদের কাছে হস্তান্তর ‘ম্যাডাম’ না বললে মেলে না চিকিৎসাসেবা—গুইমারায় ইসলামিক মিশন প্রধানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ যুবসমাজকে ক্রীড়ামুখী করতে রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ কাপ্তাইয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা বাঘাইছড়িতে সাড়ে ৪ লাখ টাকার অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করল বিজিবি লামায় পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ, ৩ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা দীঘিনালায় সম্প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মাতামুহুরি কলেজে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ লামায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা কাপ্তাইয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  রাজস্থলীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

ফাইতং খালে সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগ, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে হাজারো মানুষ

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা প্রতিনিধি।।
বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের খোজ্যাখোলা এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে একটি সেতুর অভাবে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঢলে খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফাইতং খালের দুই পাশে প্রায় এক হাজারের বেশি পরিবারের বসবাস। খালের ওপর কোনো স্থায়ী সেতু না থাকায় প্রতিদিন কর্মস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে যাতায়াতের জন্য স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে বর্ষাকালে খালের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পারাপার আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ সময় তিন চাকার যানবাহনসহ অন্যান্য যান পারাপারে একাধিক ব্যক্তির সহযোগিতা প্রয়োজন হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, এলাকায় কোনো বিদ্যালয় না থাকায় শিশু-কিশোরদের পড়াশোনার জন্য খাল পেরিয়ে অন্য এলাকায় যেতে হয়। বর্ষাকালে খালের পানি ও স্রোত বেড়ে যাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে যেতে পারে না। ফলে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

এ ছাড়া জরুরি চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রেও সেতুর অভাব বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতে বা প্রতিকূল আবহাওয়ায় কোনো রোগী অসুস্থ হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এতে রোগী ও স্বজনদের চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিজেদের উদ্যোগে কয়েকবার বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলেও বর্ষার প্রবল স্রোতে সেগুলো টেকেনি। ফলে বর্ষা মৌসুমে খালের দুই পাশের কয়েকটি গ্রাম কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ফাইতং খালের ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সেতু নির্মিত হলে শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *