মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লংগদুতে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবা গ্রেপ্তার, প্রতিবেশী যুবকও আটক খাগড়াছড়িতে কুষ্ঠরোগীদের অধিকার ও সেবা নিয়ে ওরিয়েন্টেশন পাহাড়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সমন্বিত উদ্যোগের আহবান সাজেক সেনাজোনের উদ্যোগে ১৭ চক্ষু রোগী চট্টগ্রামে থানচির বলীপাড়া বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা লক্ষ্মীছড়িতে ছয় পাড়ার মানুষের চলাচলে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের পক্ষে বলীপাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ার আহ্বান; পার্বত্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রীর বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা পানছড়িতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সাংগঠনিক সভা গুইমারায় মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসা পেলেন ৪৫০ জন মাটিরাঙ্গায় দুর্নীতিবিরোধী বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় গুইমারায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও তরুণদের পাশে সেনাবাহিনী, গৃহ নির্মাণে ঢেউটিন ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ গুইমারায় সেনাসম্প্রীতি: সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

অনলাইন হাজিরার পর আলোচনায় পাগয্যাছড়ি বিদ্যালয়, উঠল আগাম ছুটির অভিযোগ

Reporter Name

মো. আব্দুজ জাহের, বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি।।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকার পাগয্যাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমগাছে উঠে অনলাইন হাজিরা দেওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিদ্যালয়টি দেশব্যাপী আলোচনায় আসে। তবে ওই ঘটনার পর এবার বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে আগাম ছুটি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৩৪ নম্বর রূপকারী ইউনিয়নের পাগয্যাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তাহের গত ১৫ জুন নেটওয়ার্ক সংকটের কারণে বিদ্যালয়ের পাশের একটি আমগাছে উঠে অনলাইন হাজিরা দেওয়ার চেষ্টা করেন। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের নেটওয়ার্ক সমস্যার বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অনেকেই প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ববোধ ও কর্মনিষ্ঠার প্রশংসা করেন। তবে স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও বাসিন্দা বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের অভিযোগ, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও অধিকাংশ দিন দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যেই শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে প্রতিবেদক দুপুর ১টার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে সেটি বন্ধ অবস্থায় দেখতে পান। সে সময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কোনো শিক্ষার্থী বা পাঠদান কার্যক্রমের উপস্থিতি দেখা যায়নি। বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বক্তব্যও তাৎক্ষণিকভাবে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি, নিয়মিত ও পূর্ণ সময় পাঠদান নিশ্চিত না হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তারা বিদ্যালয়ের উপস্থিতি, পাঠদানের সময়সূচি এবং সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।

দুর্গম এলাকায় নেটওয়ার্ক সংকটের কারণে আমগাছে উঠে অনলাইন হাজিরা দেওয়ার ঘটনা যেমন অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে, তেমনি বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে ওঠা অভিযোগও নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র উদ্ঘাটন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *