
নিজস্ব প্রতিনিধি।।
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, আজ বাংলাদেশের রাজনীতি আমাদের নেতা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে এক নতুন ধারায় রচিত হচ্ছে। যে ত্যাগ ও আত্মত্যাগ জুলাই ২০২৪-এ সৃষ্টি হয়েছে, তার কৃতিত্বের অন্যতম প্রধান দাবিদার চট্টগ্রামের শহরের কৃতি সন্তান শহীদ ওয়াসিম আকরাম। সে সাহসী যোদ্ধার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে ৩৬ জুলাইয়ের যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে শহীদ হয়েছে। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছে।
গতকাল চট্টগ্রামের কাজির দেউড়ি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শিরোনামে জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল আরো বলেন, যারা ৩৬ জুলাই যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন না তারা আমার এ আবেগ সম্পর্কে জানবেন না। মূলত ২০২৪-এর এই জুলাই যুদ্ধ ছিল ১৮ কোটি বাংলাদেশী ছাত্র, শ্রমিক ও জনতা সকলেরই এক সম্মিলিত যুদ্ধ। কেউবা সক্রিয়ভাবে এ যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন, কেউবা সমর্থন দিয়েছেন, কেউ সহমর্মিতা দেখিয়েছেন, আবার কেউ জুলাই যোদ্ধাদের খাবার ও অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের সব মানুষই এই যুদ্ধে শামিল হয়েছেন। বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে যে অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার, নিপীড়ন, মামলা ও হামলার শিকার ফ্যাসিস্ট হাসিনার সরকার এবং তার দোসররা এ বাংলাদেশে ঘটিয়েছে, তা জাতি কোনোভাবেই ক্ষমা করবে না। এই ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে শত শত যুবক, কিশোর ও মা-বোনেরা গুম ও খুনের শিকার হয়েছিল।
প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরো বলেছেন, আজকের আলোচনা সভা শোকের নয়, এটি শক্তি সঞ্চয়ের সভা। জুলাইয়ের শক্তিতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আমরা জনগণের ভোটে একটি গণতান্ত্রিক সরকার পেয়েছি। চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম ছাত্রদলের সদস্য ছিল, তার চেয়ে বড় পরিচয় সে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনের সৈনিক ছিল। আজকের দিন শোকের না হয়ে শক্তি সঞ্চয়ের কেন তা যারা রাজপথে আন্দোলন করেছে, রক্ত দিয়েছে, ত্যাগ শিকার করেছেন তারা অনুভব করবেন। ক্ষমতার স্রোতে যারা ভেসে বেড়ায় তারা কখনো ত্যাগের মহিমা অনুভব করতে পারবে না। প্রকৃত জুলাই যোদ্ধারা কখনো চেতনা নিয়ে ব্যবসা করে না। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড সহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম শুরু করেছেন। নিত্য প্রয়োজনীয় ৬০ টির বেশি পণ্যের মূল্য কমিয়েছেন। স্বাস্থ্যখাতে বিভিন্ন ব্যয়বহুল জিনিসপত্রের দাম কমিয়েছেন। দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ একটি মানবিক ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হওয়া সময়ের ব্যাপার।
প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরো বলেছেন, আজকের আলোচনা সভা শোকের নয়, এটি শক্তি সঞ্চয়ের সভা। জুলাইয়ের শক্তিতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আমরা জনগণের ভোটে একটি গণতান্ত্রিক সরকার পেয়েছি। চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরাম ছাত্রদলের সদস্য ছিল, তার চেয়ে বড় পরিচয় সে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনের সৈনিক ছিল। আজকের দিন শোকের না হয়ে শক্তি সঞ্চয়ের কেন তা যারা রাজপথে আন্দোলন করেছে, রক্ত দিয়েছে, ত্যাগ শিকার করেছেন তারা অনুভব করবেন। ক্ষমতার স্রোতে যারা ভেসে বেড়ায় তারা কখনো ত্যাগের মহিমা অনুভব করতে পারবে না। প্রকৃত জুলাই যোদ্ধারা কখনো চেতনা নিয়ে ব্যবসা করে না। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড সহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম শুরু করেছেন। নিত্য প্রয়োজনীয় ৬০ টির বেশি পণ্যের মূল্য কমিয়েছেন। স্বাস্থ্যখাতে বিভিন্ন ব্যয়বহুল জিনিসপত্রের দাম কমিয়েছেন। দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশ একটি মানবিক ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হওয়া সময়ের ব্যাপার।
প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং প্রিয় দেশনায়ক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন এবং সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচনে জনগণ তাদের ম্যান্ডেট বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে প্রদান করেছে। জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ২১৪ টি আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছে। তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। একই সাথে ২০২৪ সালের জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের এই আয়োজনকে তিনি সাধুবাদ জানান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ মূলমন্ত্রটি সকলের হৃদয়ে লালন করার আহ্বান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, শহীদ ওয়াসিম সহ যেসকল জুলাই যোদ্ধা জীবন দিয়েছেন আমরা তাদের ইতিহাস অবশ্যই সংরক্ষণ করবো। প্রকৃত শহীদ ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের নির্ভুলভাবে তালিকা করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাও আমাদের জুলাই বিপ্লবে জেগে উঠতে চেতনা জুগিয়েছে। এদেশে ফ্যাসিবাদ যেন আবার ফিরে না আসে সে জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কেউ নতুন করে ফ্যাসিস্ট হওয়ার চেষ্টা করলে জনগণ রুখে দিবে। দেশের জন্য যারা অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন জাতির কাছে সম্মানিত করতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান এবং চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী প্রমুখ।