বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নাইক্ষ্যংছড়িতে সম্প্রীতি অলিম্পিক ফুটবলের শিরোপা নুরু কিং ফুটবল একাদশের বান্দরবান সদর হাসপাতালে হাম রোগী পরিদর্শনে সেনা জোন কমান্ডার, বিশেষ চিকিৎসা সহায়তার আশ্বাস খাগড়াছড়ির চার উপজেলায় এলএসটিডি প্রকল্পের উদ্যোগে আমন মৌসুমের কৃষি উপকরণ বিতরণ বার্জার পেইন্টসের ‘লাল পেইন্টার পাসপোর্ট’ পেলেন রাঙ্গুনিয়ার সাকিব হাম পরিস্থিতি: বান্দরবান সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে এমপি সাচিং প্রু জেরী বিলাইছড়িতে নজরুলের জীবন ও কর্ম নিয়ে আলোচনা সভা লামায় সিএনজি চালককে ছুরিকাঘাত করে ছিনতাই: দুই মাস পর ৩ আসামি গ্রেফতার বান্দরবানে হামের উপসর্গ ও ডায়রিয়ায় ২৯ মৃত্যুর দাবি, স্বাস্থ্য বিভাগে নেই আনুষ্ঠানিক রেকর্ড কাপ্তাইয়ে নকআউট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন বিলাইছড়িতে পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা, মাতৃ ও শিশুপুষ্টি উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান গুইমারায় সিন্দুকছড়ি জোনের মাসিক মতবিনিময় সভা, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান বাঘাইছড়িতে কাচালং বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় পাহাড়ে মানবাধিকার ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, ২৪০ ঘটনার দাবি নাগরিক পরিষদের গুইমারায় ৩০০ কৃষক পেলেন সরকারি কৃষি প্রণোদনা, বিতরণ করা হলো বীজ ও সার পানছড়িতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, অপরাধ দমনে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পানছড়ির কৃষকদের বিনামূল্যে রোপা আমন বীজ বিতরণ

ঢাকা মিরপুর শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহার নির্মাণে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক;

ঢাকা, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রি. পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা আজ শুক্রবার রাতে ঢাকা, মিরপুরের শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহার নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, বর্তমান সরকার সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতি সমান শ্রদ্ধাশীল এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণে সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং নিজ নিজ ধর্ম পালনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এই সরকারের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস-এর নেতৃত্বাধীন এ সরকার ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। এই সরকার ধর্মীয় সহাবস্থান ও সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করতে বদ্ধপরিকর। শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহার নির্মাণে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন তারই একটি সার্থক প্রমাণ। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, সরকার এই ধরনের মহৎ কাজে সব সময় পাশে আছে। তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার সার্বিক উন্নয়ন, বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক কাজে ব্যয় হয়ে থাকে। উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আশা প্রকাশ করেন, মিরপুর শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহারটি শুধুমাত্র একটি উপাসনালয় হিসেবে নয়, বরং সকলের জন্য জ্ঞানচর্চা ও মানবিক মূল্যবোধের কেন্দ্রে পরিণত হবে।

শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটি ও শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহার নির্মাণ কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রজ্ঞানন্দ মহাস্থবির, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহসভাপতি ভবেশ চাকমা, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট্রের ট্রাস্টি ড. সুকোমল বড়ুয়া, লে. কর্ণেল মনীষ দেওয়ান, প্রকৌশলী তরুণ তপন দেওয়ান, লে. কর্নেল পরিমল বিকাশ চাকমা, প্রকৌশলী ক্যাশা চিং মারমা, নিরুপা দেওয়ান ও কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা। বক্তারা সকলেই এই মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং সরকারের সার্বিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *