
পানছড়ি প্রতিনিধি।।
খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির (ওএমএস) আওতায় চাল ও আটা বিতরণে নির্ধারিত ওজনের চেয়ে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ উঠেছে ওএমএস ডিলার মো. নুরুজ্জামান ও তাঁর প্রতিষ্ঠান মেসার্স জামান এন্ড ব্রাদার্সের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় ভোক্তাদের অভিযোগ, প্রতি ৫ কেজি চালের প্যাকেটে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম এবং ৫ কেজি আটার প্যাকেটে প্রায় ১৬০ থেকে ২০০ গ্রাম পর্যন্ত কম দেওয়া হচ্ছে। সরকারি নির্ধারিত মূল্যে পণ্য কিনতে এসে এভাবে ওজনে কম পাওয়ায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিলার মো. নুরুজ্জামান ওজনে কম দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে দাবি করেন, খাদ্যগুদাম থেকে প্রতি বস্তায় ২ থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত কম পণ্য সরবরাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) গোলাম মোস্তফার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাঁর কাছ থেকে পণ্য গ্রহণের সময় কোনো ঘাটতির অভিযোগ করা হয়নি। পরে ক্যাম্পাসের বাইরে গিয়ে পণ্যের ওজন কম বলে অভিযোগ উঠলে এর দায় তাঁর নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তবে স্থানীয় ভোক্তারা বলছেন, সরকারি ভর্তুকিতে পরিচালিত ওএমএস কর্মসূচির পণ্য নির্ধারিত পরিমাণে বিতরণ হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
সরকারি খাদ্য সহায়তার সুবিধা যাতে প্রকৃত ভোক্তারা নির্ধারিত পরিমাণে পান, সে জন্য ওজন যাচাই এবং বিতরণ কার্যক্রমে নিয়মিত ও কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।