রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে বাঘাইছড়িতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম (EESS) এর আওতায় , সৌকেসিং প্রোগ্রাম

বরকলে ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স অকেজো, দুর্ভোগে রোগী

Reporter Name

তসলিম উদ্দিন, বরকল।।
দুর্গম পাহাড়ি উপজেলা হিসেবে পরিচিত বরকল-এ দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স। নৌপথনির্ভর এই অঞ্চলে জরুরি রোগী পরিবহনের একমাত্র সরকারি ভরসাটি অচল থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাহাড় ও কাপ্তাই হ্রদবেষ্টিত বরকল উপজেলায় এখনো কার্যকর সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ফলে সাধারণ রোগী থেকে শুরু করে মুমূর্ষু রোগীদেরও চিকিৎসার জন্য নৌযানের ওপর নির্ভর করতে হয়। বরকল সদর থেকে নৌপথে রাঙামাটি জেলা সদরে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ২ থেকে ৩ ঘণ্টা।

রোগীদের যাতায়াত সুবিধার কথা বিবেচনা করে প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর আগে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ বরকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৭৫ হর্সপাওয়ার ইঞ্জিনচালিত একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করে। সেই সঙ্গে তিন বছরের চুক্তিভিত্তিক একজন চালকও নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

তবে শুরু থেকেই অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ ছিল এই সেবাকে ঘিরে। স্থানীয়দের দাবি, বরকল থেকে রাঙামাটি পর্যন্ত রোগী পরিবহনে প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হতো, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

এদিকে চালকের চুক্তি নবায়ন না হওয়া, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটি ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে পড়ে। বর্তমানে সেটি নদীর চরে পড়ে আছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে বরকল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শান্তনু দাশ বলেন, “ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটি জেলা পরিষদ থেকে চালকসহ দেওয়া হয়েছিল। পরে চালকের চাকরি স্থায়ী না হওয়ায় সেটি ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার জেলা পরিষদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটি সচল করে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রশ্ন, দুর্গম বরকলবাসী কবে পাবে ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা ও নির্ভরযোগ্য রোগী পরিবহন ব্যবস্থা?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *