রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে দুর্গম এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং ঔষধ বিতরণ বান্দরবান এলজিইডির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঘাইছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন লামায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন “সবুজে গড়বো আগামীর বাংলাদেশ” খাগড়াছড়িতে শুরু হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি থানচিতে উদ্যোক্তা মেলা ও পিঠা উৎসব প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন খাগড়াছড়ি সদর এলজিইডি’র আয়োজনে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন সীমান্তে অপরাধ ও সন্ত্রাস দমনে পানছড়ি কেষ্টমনি পাড়ায় বিজিবি’র নতুন ক্যাম্প স্থাপন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য ঈদগাঁওবাসী ছিলেন অধির অপেক্ষায় বান্দরবানের ক্রীড়াঙ্গনে নারী ক্রীড়াবিদদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিতকরণে এক কর্মশালা রাজস্থলীতে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নওমুসলিমদের নির্যাতনের অভিযোগে রাজস্থলীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পানছড়িতে ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে বাঘাইছড়িতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কীম (EESS) এর আওতায় , সৌকেসিং প্রোগ্রাম

রাজধানীতে দ্বিতীয়বার বসছে পাহাড়ের বর্ণিল উৎসব ‘বিঝু-বৈসু-সাংগ্রাই মেলা’ ৯ থেকে ১১ এপ্রিল মিরপুরের শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী আয়োজন

Reporter Name

পপেন ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি:

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব বিঝু, বৈসু, সাংগ্রাই, বিহু, চাংক্রান ও বিষু উপলক্ষে আগামী ৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীতে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বিশেষ মেলা। রাজধানীর মিরপুর-১৩ নম্বরে শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহার প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘বিঝু-বৈসু-সাংগ্রাই-বিষু মেলা-২০২৬’ চলবে ১১ এপ্রিল শনিবার পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

‘ঢাকাস্থ পার্বত্য উদ্যোক্তা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড’-এর উদ্যোগে এবং ‘সিএইচটি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’-এর সহযোগিতায় দ্বিতীয়বারের মতো এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

উদ্বোধনে পার্বত্য মন্ত্রী:

মেলার উদ্বোধনী দিন ৯ এপ্রিল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামের বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ ও বিশিষ্ট নাগরিকগণ উপস্থিত থাকবেন বলে আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। থাকছে ৩০-৩৫টি স্টল, সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা

এবারের মেলায় ৩০ থেকে ৩৫টি স্টলে পার্বত্য চট্টগ্রামের তাজা কৃষিপণ্য, জুম চাষের সবজি, ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প এবং পাহাড়ি খাবারের সমাহার থাকবে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় বিভিন্ন পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী গান ও নৃত্যের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হবে। সমাপনী দিন ১১ এপ্রিল বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে লটারি ড্র।

ইতোমধ্যে মেলায় স্টল বরাদ্দ নিয়েছেন পাহাড়ি নারী উদ্যোক্তা জিলিয়ান তালুকদার। ‘কোরিয়ান গ্ল্যাম বাংলাদেশ’ নামের স্টলে পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের পাশাপাশি বিভিন্ন কোরিয়ান পণ্যসামগ্রীও পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।

১২ এপ্রিল বসবে ‘স্পেশাল বিজু বাজার’:

মেলার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির পরদিন ১২ এপ্রিল রোববার বসবে ‘স্পেশাল বিজু বাজার’। পাহাড়িদের প্রধান উৎসবের দিনগুলোর কেনাকাটার কথা মাথায় রেখে তাজা সবজি, ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও শুকনা খাবারের এই বিশেষ বাজারের আয়োজন করা হয়েছে।

আয়োজকদের কথা:

আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব সুবিমল চাকমা বলেন, “পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, পোশাক ও খাদ্যের প্রতি নগরবাসীর ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। মূলত পাহাড়ের উৎসবের আমেজ রাজধানীর মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এখানে পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সবাই পাহাড়ের আতিথেয়তা ও সম্প্রীতির স্বাদ গ্রহণ করতে পারবেন।”

মেলার আয়োজকদের অন্যতম সদস্য ও হেবাং রেস্তোরাঁর স্বত্বাধিকারী বিপলী চাকমা জানান, গত বছর মেলায় ব্যাপক সাড়া পাওয়া গিয়েছিল। সেই উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা থেকেই দ্বিতীয়বারের মতো মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। এবারের মেলায় হেবাং রেস্তোরাঁর বিভিন্ন মুখরোচক পাহাড়ি রান্নাও পাওয়া যাবে।

আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক দো অং মারমা পাহাড়ের সংস্কৃতির সাথে মেলবন্ধন ঘটাতে রাজধানীবাসী সকলকে মেলায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

যেভাবে যাবেন:

মেট্রোরেলের মিরপুর-১০ স্টেশন থেকে রিকশায় মাত্র পাঁচ মিনিটেই মেলাস্থলে পৌঁছানো যাবে। মেলার স্থান শাক্যমুনি বৌদ্ধ বিহারের পাশেই রয়েছে স্কলাসটিকা ও এসওএস শিশু পল্লী এবং বিপরীতে রয়েছে বিআরটিএর কার্যালয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *