
শনিবার (২২ আগস্ট) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঈন উদ্দিনের নেতৃত্বে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫১ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে একটি মামলা করা হয়। এ মামলায় এক দোকানিকে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, সরই ইউনিয়নের ১০টি পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে পাহাড়ি ছড়া ও খাল থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করা আনুমানিক ৭ লাখ ৭০ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ করা হয়।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, অবৈধভাবে উত্তোলন করা বালু পরবর্তী সময়ে নিলাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বৈধ দেখিয়ে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন ও পরিবহন করে আসছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় পরিবেশবাদীরা অবৈধভাবে উত্তোলিত বালুর নিলাম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, পাহাড়ি ছড়া ও খাল থেকে নির্বিচারে বালু উত্তোলনের ফলে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযান শেষে ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঈন উদ্দিন বলেন, জনস্বার্থ রক্ষা, বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।