
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের অন্যতম সদস্য মাস্টার মোকতার আহমদের দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় ঢোলইন্যামুরার পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা ২০ মিনিটে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি জালালাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ পালাকাটার মরহুম হাজী আব্দুল করিমের পুত্র।
বুধবার পূর্ব পালাকাটা হেফজখানা সংলগ্ন জামে মসজিদ মাঠে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তার পুত্র হাফেজ তানভিরুল করিম। জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সহকর্মী, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকার বিপুলসংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন।
জানাজায় উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ছলিম উল্লাহ জিহাদী, চিকিৎসক ডা. আব্দুর রহিম আমানি, ডা. আলহাজ্ব আমির সোলতান, কক্সবাজারের অ্যাডভোকেট জাফর উল্লাহ ইসলামাবাদী, গুলজার বেগম মাদ্রাসার সুপার আনিস মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, কুমিল্লায় কর্মরত অধ্যাপক সোলতান আহমদ, নাইক্ষ্যংছড়ি কলেজের অধ্যাপক মিজানুর রহমান, ইসলামী ব্যাংক চট্টগ্রাম চকবাজার শাখার ম্যানেজার শাহজাহান মনিরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমের চার পুত্র ও দুই কন্যা রয়েছে। বড় ছেলে সৌদি আরবে প্রবাসী, মেঝ ছেলে বান্দরবান সদর এলএসডি অফিসে অফিসার ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত। ছোট ছেলে তানভিরুল করিম ইসলামী ব্যাংক পিএলসি কক্সবাজার লিংক রোড শাখায় জুনিয়র অফিসার এবং আরেক ছেলে ইমরানুল করিম কক্সবাজার কলাতলীর একটি হোটেলের ব্যবস্থাপনা বিভাগে কর্মরত। তার এক কন্যা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্যারামেডিক নার্স হিসেবে এবং অপর কন্যা গৃহিণী।
এদিকে মাস্টার মোকতার আহমদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন ঈদগাঁও উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।