সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় বান্দরবানে বিএনপির আনন্দ মিছিল লামায় সেতুর অভাবে ঝুঁকিতে ১২ গ্রামের মানুষ, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা বাঘাইহাটে যুবকদের কম্পিউটার ও মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ মাইসছড়িতে বজ্রপাতে নিহত স্বামী-স্ত্রীর পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন মাম্যাচিংকে গণসংবর্ধনা, উন্নয়ন ও সম্প্রীতিতে ভূমিকার প্রত্যাশা চুয়েটে গো-কার্ট ও মার্স রোভার প্রদর্শনী পরিদর্শন করলেন বিসিবি পরিচালক ইসরাফিল খসরু আসন্ন সেপ্টেম্বরের সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় পানছড়ি ৩ বিজিবিতে সমন্বয় সভা মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি জনসম্পৃক্ততা জরুরি: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাঙ্গামাটির পাহাড়ে আমড়ার সুবাস, অর্থনীতি ও ঐতিহ্যের ফল খাগড়াছড়িতে ২০০ পিস ইয়াবাসহ তিনজন আটক নাগরিকদের দুর্নীতিমুক্ত ও উন্নত সেবা দিতে সরকার শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: চট্টগ্রামে মীর হেলাল মহালছড়িতে বজ্রপাতে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু মহালছড়িতে যৌথবাহিনীর অভিযানে পিস্তল-গুলিসহ ব্যক্তি গ্রেপ্তার লামায় ২০ পিস ইয়াবাসহ কিশোর আটক লামায় অভিযানে ৭ লাখ ৭০ হাজার ঘনফুট অবৈধ বালু জব্দ লামার প্রতিনিধি না রাখায় বান্দরবান জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

দুই বছরেও সংস্কার হয়নি সংযোগ সেতুর, দুর্ভোগে বাঘাইছড়ির হাজারো মানুষ

Reporter Name

মো. আব্দুজ জাহের, বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি।।
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যমপাড়া থেকে কাচালং সরকারি ডিগ্রি কলেজে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতুটি প্রায় দুই বছর ধরে ভেঙে পড়ে রয়েছে। সংস্কার বা নতুন সেতু নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খালের ওপর নির্মিত সেতুটি মধ্যমপাড়া, মাস্টারপাড়া এবং কাচালং সরকারি ডিগ্রি কলেজে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল। সেতুটি ধসে পড়ার পর থেকে এলাকাবাসীকে দীর্ঘ পথ ঘুরে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে সময় ও যাতায়াত ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

এদিকে সেতুটি অচল হয়ে যাওয়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের পাশাপাশি রোগী পরিবহন, নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজ এবং জরুরি সেবা গ্রহণেও স্থানীয়দের ভোগান্তি বাড়ছে।

কাচালং সরকারি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী মো. মাহফুজ বলেন, “সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে ঝুঁকি নিয়ে বিকল্প পথে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়েছে। নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকাও কঠিন হয়ে পড়েছে। দ্রুত একটি নিরাপদ সেতু নির্মাণের দাবি জানাই।”

স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, “প্রায় দুই বছর ধরে সেতুটি ভেঙে পড়ে আছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছেন কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। দ্রুত সংস্কার অথবা নতুন সেতু নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।”

এ বিষয়ে বাঘাইছড়ি এলজিইডির প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “সেতুটি উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন নয়। এটি পৌরসভার উদ্যোগে নির্মিত হয়েছিল। তাই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব পৌর কর্তৃপক্ষের।”

তবে এ বিষয়ে বাঘাইছড়ি পৌরসভার দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসীর দাবি, সেতুটি দ্রুত সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে। তারা উপজেলা প্রশাসন, পৌর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *