সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
থানচির একাধিক স্থানে ভূমিধস, সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে সেনাবাহিনী মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের মাঝে সেনা জোনের ত্রাণ বিতরণ বিলাইছড়িতে বন্যা দুর্গত ৫০ পরিবারকে সেনা জোনের ত্রাণ সহায়তা বিলাইছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা কাপ্তাইয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পানছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, পরিকল্পিত পরিবার গঠনের আহ্বান পানছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের একাংশ ধসে, পরিদর্শনে ইউএনও ইসলামপুরে বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কমিটির ত্রাণ বিতরণ টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক বান্দরবানে বন্যাদুর্গতদের পাশে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ রেজা দুর্গম আলীকদমে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সেনাবাহিনী, বিতরণ ত্রাণসামগ্রী লামায় পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এমপি সাচিংপ্রু জেরি বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বিচ্ছিন্ন দুই সড়কের যোগাযোগ রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে নৌকা ডুবে তরুণ নিখোঁজ, চলছে উদ্ধার অভিযান নাইক্ষ্যংছড়িতে বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত স্টিল ব্রিজ, জরুরি মেরামতে ১১ বিজিবি রামগড়ে পাহাড়ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১১৫ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ

নাইক্ষ্যংছড়িতে ফ্রান্স প্রবাসীর উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

আবদুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি।

আবদুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি।।
বান্দরবান পার্বত্য জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নে ফ্রান্স প্রবাসী সুমন চৌধুরীর নিজস্ব অর্থায়নে শীতার্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
রোববার ও সোমবার (২১ ও ২২ ডিসেম্বর) দুই দিনব্যাপী এই মানবিক কর্মসূচির আওতায় সোনাইছড়ি ইউনিয়নের প্রায় দুই শতাধিক শীতার্ত, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের হাতে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও স্থানীয় বৌদ্ধ বিহারের ভান্তেদের মাঝেও শীতের কম্বল বিতরণ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মানবিক দায়বদ্ধতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে নিজ এলাকার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান প্রবাসী সুমন চৌধুরী। শীত মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকেই দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের দরিদ্র মানুষ তীব্র শীতের কষ্টে ভুগছেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রবাসীর এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে।
কম্বল পেয়ে উপকারভোগী মংলা অং মার্মা বলেন, “পাহাড়ি এলাকায় শীত অনেক বেশি। এই কম্বল আমাদের জন্য খুবই উপকারে এসেছে।” অপর উপকারভোগী হাসু মিয়া বলেন, “এই শীতের মধ্যে এমন সহায়তা পেয়ে আমরা খুব খুশি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।”
এলাকাবাসী জানান, প্রবাসী সুমন চৌধুরীর এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বিত্তবান ও প্রবাসীরা এগিয়ে এলে শীতার্ত মানুষের কষ্ট অনেকাংশে লাঘব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *