শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সেনাবাহিনী, নগদ অর্থ, ত্রাণ ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা প্রদান বান্দরবানে বন্যার্ত ২৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ত্রাণ, মেডিকেল ক্যাম্প চালু বিলাইছড়িতে ডাউনপাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রাক-নিবন্ধন সভা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে বন্যার্তদের পাশে সরকার, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ঋণ স্থগিতের উদ্যোগ জুরাছড়িতে বন্যাকবলিত এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে এমপি দীপেন দেওয়ান মাটিরাঙ্গায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ পরিবার পেল প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের সহায়তা রাজস্থলীতে ৩০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পেল প্রশাসনের জরুরি ত্রাণ সহায়তা জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগেই রচিত হয়েছে দেশের রাজনীতির নতুন ধারা’: পার্বত্য ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল মেয়াদোত্তীর্ণ ও সাংগঠনিক নিষ্ক্রিয়তায় রাউজান-রাঙ্গুনিয়া প্রজন্ম দলের কমিটি বিলুপ্ত মাটিরাঙ্গার টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের পাশে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ দীঘিনালায় বন্যা-পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ১,২০০ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ রাবিপ্রবি’তে ‘জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬’ পালন হুম্মাম কাদের চৌধুরীর নির্দেশনায় রাঙ্গুনিয়ায় বন্যাদুর্গতদের পাশে বিএনপি ও ছাত্রদল নেতা সাবের; দুই দিনব্যাপী ত্রাণ বিতরণ ঈদগাঁওতে বিনম্র শ্রদ্ধায় জুলাই শহীদদের স্মরণ রাঙামাটিতে ৪৫ বিজিবির উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বরকলে বন্যার্তদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দিল ১২ বিজিবি

বান্দরবান: ফাইতংয়ে বন্য হাতির তাণ্ডবে লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা প্রতিনিধি

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের ০৫ নম্বর ওয়ার্ডে একদল বন্য হাতি কৃষি ক্ষেত্র ও বাগানে ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি করেছে। শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাত ১টার দিকে এই হাতির দল কলা ও সবজি ক্ষেত্র তাণ্ডব চালিয়ে প্রায় ২০০টির বেশি গাছ ভাঙার পাশাপাশি লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে বলে জানা গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আনোয়ার হোসেন জানান, “প্রতিনিয়ত রাতের সময়ে বন্য হাতি আমাদের বাগান ও ক্ষেত্র নষ্ট করছে। কয়েকটি রাতেই ০২–০৩টি হাতি প্রবেশ করে ব্যাপক ক্ষতি করেছে। এতে আমার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।”

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, একই রাতেই খেদারবান, সুতাবাদী ও নয়াপাড়া এলাকায়ও হাতির তাণ্ডবের ঘটনা ঘটেছে। এতে বহু পরিবার আতঙ্কে রাত্রি যাপন করতে পারছে না।

লামা ডলুছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা এস.এম. হাবিবুল্লাহ বলেন, “বন্য হাতির দল দিনের বেলা জঙ্গলে অবস্থান করে। সন্ধ্যা হলে খাদ্যের জন্য লোকালয়ে নামে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে পরিদর্শন করেছি এবং তারা সরকার নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করে ফসলের ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে বন্য হাতিকে উত্ত্যক্ত করা যাবে না। প্রধান খাবার হিসেবে কলাগাছ বেছে নেয়।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *